চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভিডিওটিতো কোটি-কোটি বার দেখা হয়ে গিয়েছে: হাইকোর্ট

আল জাজিরায় টেলিভিশনে সম্প্রচার হওয়ার এতদিন পর এসে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স মেন’ ভিডিও কন্টেন্টটি বন্ধ করা-না করা সমান কথা বলে মন্তব্য করে হাইকোর্ট বলেছেন: এতদিনে ওই ভিডিওতো কোটি-কোটি বার দেখা হয়ে গিয়েছে।

বহুল আলোচিত ভিডিও প্রতিবেদনটি ইউটিউব, ফেসবুকসহ সকল অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে অপসারণের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানিতে বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হাসান মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ একথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এসময় শুনানিতে রিটকারি আইনজীবী এমডি এনামুল কবির ইমন আল জাজিরার প্রচারিত ওই ভিডিও কন্টেন্টটি অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে অপসারণে বিটিআরসির নিস্ক্রিয়তা রয়েছে বলে দাবি করেন। তবে বিটিআরসির আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই-রাকিব হাইকোর্টকে বলেন, ‘মাই লর্ড, আমরা কোন টেলিকাস্ট বন্ধ করতে বা ওটিটি প্লাটফর্ম থেকে ভিডিও সরাসরি সরাতে পারি না। তবে আদালত কোন আদেশ দিলে আমার ভিডিও কন্টেন্টগুলো সরানের জন্য ওটিটি প্লাটফর্ম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাথে যোগাযোগ করি। সেক্ষেত্রে তার পদক্ষেপ নেন।’ একপর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষসহ সকলের বক্তব্য শুনে
আদালত এই রিটের বিষয়ে কয়েকটি প্রশ্নে অভিমত নেয়ার জন্য ছয় জন অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেন। এই ছয়জন আইনজীবী হচ্ছেন এজে মোহাম্মদ আলী, কামাল উল আলম, আবদুল মতিন খসরু, শাহদীন মালিক, ফিদা এম. কামাল, প্রবীর নিয়োগী। আগামি ১৫ ফেব্রুয়ারী আদালত এই অ্যামিকাস কিউরিদের বক্তব্য শুনবেন। কোন বিষয়ে আদালত অ্যামিকাস কিউরিদের বক্তব্য শুনবেন জানতে চাইলে রিটকারি আইনজীবী এমডি এনামুল কবির ইমন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে (ইমপার্সন) আমার করা এই রিটের ‘মেইটেনঅ্যাবিলিটি আছে কি না?, লিগ্যাল নোটিশ না দিয়ে সরাসরি করা এই রিট শুনানি হতে পারে কি না? এবং বিদেশি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করার আইনী এখতিয়ার আছে রয়েছে কি না?।

এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি আল জাজিরা টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স মেন’ প্রতিবেদনটি ইউটিউব, টুইটার, ফেসবুকসহ সকল অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে অপসারণের নির্দেশনা চেয়ে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এমডি এনামুল কবির ইমন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি করেন। এই রিটে আল জাজিরার সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধে চাওয়া হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও প্রযুক্তি সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, পুলিশ মহাপরিদর্শককে এই রিটে বিবাদী করা হয়েছে।