চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভাস্কর্য ভাঙ্গলে গ্রেপ্তার: ট্রাম্প

কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীরা কোন ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেললে তাকে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

আদেশে বলা হয়েছে, যে কেউ প্রকাশ্যে ভাস্কর্যের ক্ষতি করলে তার বিরুদ্ধে আইনের প্রয়োগ করে মামলা করা হবে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের যেসব স্থানে বিক্ষোভকারীরা এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করলে এবং তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বিভাগ ব্যর্থ হলে ফেডারেল তহবিল আটকে রাখার হুমকি দিয়েছে ট্রাম্প।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে নির্মমভাবে খুন হওয়া জর্জ ফ্লয়েডের ঘটনার পর  পুলিশি নৃশংসতা ও বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যেই দেশটিতে ভাস্কর্য ভাঙার হিড়িক চলছিল।

বিজ্ঞাপন

গত ১১ জুন মিনেসোটার সেইন্টপল থেকে ইতালীয় অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাসের একটি মূর্তি অপসারণ করা হয়েছে।

এরপর রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি মার্কিন কংগ্রেস ভবন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধকালীন কনফেডারেট নেতা ও সেনাদের ১১টি ভাস্কর্য সরিয়ে নেয়ার জন্য কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া বোস্টনেও কলম্বাসের একটি ভাস্কর্যের মাথা ভেঙে ফেলা হয়েছে।এর প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রে ভাস্কর্য রক্ষার্থে এমন আদেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষরের কথা জানিয়ে শুক্রবার একটা টুইট করেন ট্রাম্প ।

২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপলিসে পুলিশ জর্জ ফ্লয়েড নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করলে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। ফ্লয়েডের গাড়িতে জাল নোট থাকার খবর পেয়ে তাকে আটক করতে গিয়েছিল পুলিশ। একজন প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণ করা ১০ মিনিটের ভিডিওতে দেখা গেছে, হাঁটু দিয়ে তার গলা চেপে ধরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ সদস্য। নিহত ফ্লয়েড নিরস্ত্র ছিলেন। নিঃশ্বাস নিতে না পেরে তাকে কাতরাতে দেখা যায়। কৃষ্ণাঙ্গদের দাবি, বর্ণবিদ্বেষের বলি হয়েছেন ফ্লয়েড।