চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভার্চুয়াল বিতর্কে ট্রাম্প-বাইডেন

ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেনের মধ্যে শেষ বিতর্কটি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হবে। 

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জো বাইডেন পৃথক অবস্থান থেকে এ প্রশ্নোত্তর অধিবেশনে অংশ নিবেন।

বিজ্ঞাপন

বিতর্কের আয়োজক কর্তৃপক্ষ ‘দ্য কমিশন অন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটস’ এ ঘোষণা দিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুই প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মধ্যে বিতর্কের এই দিনক্ষণ আগেই ঠিক ছিল। তবে প্রথম বিতর্কের পর করোনায় আক্রান্ত হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অবশ্য তিনদিন হাসপাতালে থেকে তিনি এখন হোয়াইট হাউসে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যেই শেষ বিতর্ক ভার্চুয়ালি আয়োজন করার সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়।

এর আগে করোনা আক্রান্তের পর মার্কিন  প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় প্রেসিডেন্টসিয়াল বিতর্কটি বাতিল করে দেয়। এর পরে শেষ দফার বিতর্ক ভার্চুয়ালে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

দ্য কমিশন অন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিরোধী দুই প্রার্থী দূরবর্তী পৃথক পৃথক স্থান থেকে এ বিতর্কে অংশ নেবেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিতর্কে ভোটারদের প্রশ্নের জবাবের মুখোমুখি হবে। যা দেশটির গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

এর মধ্যেই আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে ইতিমধ্যেই ভোট প্রদান করা শুরু হয়েছে।

ইতিমধ্যে এক জরিপে জো বাইডেন ট্রাম্পের চেয়ে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে আছে।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শরীরে করোনাভাইরাস থাকলে তার সঙ্গে দ্বিতীয় বিতর্কে অংশ নেয়ার বিপক্ষে মত দিয়ে বুধবার নিজের অবস্থান ঘোষণা করেছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি মনে করি, তার (ট্রাম্প) যদি এখনো কোভিড থাকে, তাহলে আমাদের মধ্যে বিতর্ক হওয়া উচিত নয়।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে একমাত্র বিতর্কে গতরাতে দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মুখোমুখি বিতর্কে ডেমোক্র্যাট দলীয় কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক পেন্স তীব্র বাগযুদ্ধে জড়ান।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের মধ্যে তিনটি বিতর্ক হয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প ও বাইডেনের মধ্যে প্রথম বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্পের ভূমিকার কারণে সেই বিতর্ক এরইমধ্যে মার্কিন ইতিহাসের সবথেকে কলঙ্কজনক বিতর্ক আখ্যা পেয়েছে।