চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভারতে ভ্যাকসিন নিয়ে গুজব, বিভ্রান্তি ও সমালোচনা

ভারতে ১৬ জানুয়ারি থেকে করোনাভাইরাস এর ভ্যাকসিন কর্মসূচি শুরু হলেও এর কার্যকারিতা নিয়ে সন্দিহান অনেক ভারতীয়। এছাড়া ট্রায়াল শেষ হওয়ার আগে ভারত বায়োটেকের তৈরি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয়া নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে ব্যাপক সমালোচনা।

এরমধ্যেই ভ্যাকসিন নিয়ে কোনো ভুল তথ্য বা গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ভারতের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিবদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব।

এরপরও ভারতের উত্তর প্রদেশের এক নেতা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এছাড়া বিরোধী সমাজবাদী পার্টির আশুতোষ সিনহা বলেছেন: আমার ধারণা ভ্যাকসিনে এমন কিছু রয়েছে যা ক্ষতি করতে পারে। তাই ভ্যাকসিন প্রয়োগে যেকোন কিছুই ঘটতে পারে।

তবে এসব অভিযোগের ভিত্তি বা প্রমাণ নেই বলে ভারতের শীর্ষ ওষুধ নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলো দাবি করেছে। তারা বলছে, ভারতে তৈরি ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ, যদিও ভ্যাকসিন প্রয়োগে কিছুটা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যেমন- হালকা জ্বর, শরীর ব্যথা এবং মাথা ব্যথা হতে পারে।

দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ হর্ষ বর্ধনও ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে সব গুজব এবং অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ভারতের ভ্যাকসিন প্রদান কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হচ্ছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ‘কোভিশিল্ড’ এবং ভারত বায়োটেকের উদ্ভাবিত ‘কোভ্যাক্সিন’।

কোভিশিল্ড নিয়ে খুব একটা কথা না হলেও বিতর্কের মুখে পড়েছে ভারতীয়দের নিজস্ব উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি। কারণ, এর তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালই এখনও শেষ হয়নি, নেই সুরক্ষা সংক্রান্ত পর্যাপ্ত তথ্যও।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া ভ্যাকসিন নেয়ার পর গত দু’সপ্তাহে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু এবং কয়েকশ’ জনের শরীরে বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তবে এসব মৃত্যুর সঙ্গে করোনা ভ্যাকসিনের কোনো যোগসূত্র নেই বলে জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। অবশ্য ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা এতে থামেনি।

বিজ্ঞাপন