চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভারতে দীর্ঘ কারাভোগের পর দেশে ফিরলেন ১৯ বাংলাদেশি

ভারতের বিভিন্ন কারাগারে দীর্ঘ কারাভোগের পর দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন ১৯ জন বাংলাদেশী নাগরিক। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর কার্যকর উদ্যোগে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তারা দেশে ফিরেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের বিয়ানীবাজার শেওলা সীমান্ত দিয়ে বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়: ‘‘বিএসএফ ও বিজিবি’র উপস্থিতিতে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ বাংলাদেশি ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে দীর্ঘদিন কারাভোগ করা ৫ জন নারীসহ ১৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে হস্তান্তর করে। বাংলাদেশে প্রবেশের পূর্বে শেওলা আইসিপিতে নিয়োজিত মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিয়ানীবাজার কর্তৃক আগত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়| কোনো করোনা উপসর্গ না পাওয়ায় এবং করোনা টেস্ট এর নেগেটিভ রেজাল্ট থাকায় তাদেরকে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ প্রদান করে তাদের নিজ নিজ আত্মীয় স্বজনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।’’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক তৎপরতায় আসামের বাংলাদেশ দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার এর সার্বিক সহযোগিতায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) খুব দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট বিএসএফ কর্তৃপক্ষ, ভারতের আসাম পুলিশ কর্তৃপক্ষ ও আসাম রাজ্য সরকারের চিফ সেক্রেটারি এর সাথে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে দীর্ঘদিন আটকে থাকা এই ১৯ বাংলাদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে দ্রুত প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করে। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

এর আগে গত ২২-২৬ ডিসেম্বর আসামের গৌহাটিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে সীমান্ত সম্মেলন চলাকালীন বিজিবি মহাপরিচালক কর্তৃক ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আসাম রাজ্য সরকারের সার্বিক সহযোগিতার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছিল।

এই বাংলাদেশি নাগরিকদের হস্তান্তর/গ্রহণকালীন সময়ে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল গাজী শহীদুল্লাহ, বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।