চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি গোষ্ঠিকে সহায়তার অভিযোগ পাকিস্তানের

ভারত পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদী দলগুলিকে প্রশিক্ষণ, আর্থিক ও সরঞ্জাম দিয়ে  সহায়তা করছে বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আয়েশা ফারুকী। কূটনৈতিক সম্পর্ক অবনতি করতেই ভারত পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদকে উস্কে দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

ভারতের নয়া দিল্লিতে অবস্থিত পাকিস্তান হাই কমিশনের অর্ধেক কর্মীকে বহিষ্কার করতে যাচ্ছে ভারতের এ ঘোষণার ঠিক একদিন পরেই পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এ দাবি করা হলো।

বিজ্ঞাপন

তবে পাকিস্তানের এ বিবৃতির পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রকে মন্তব্য করার জন্য অনুরোধ জানালেও তিনি কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম রয়র্টাস।

মুম্বাই-ভিত্তিক থিংক ট্যাঙ্ক গেটওয়ে হাউসের সহযোগী এবং প্রবীণ ভারতীয় কূটনীতিক রাজীব ভাটিয়া বলেছেন,পরিকল্পিতভাবে দূতাবাসের কর্মীদের “ডিপ কাট” তাৎপর্যপূর্ণ। এটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের হতাশাজনক অবস্থার ইঙ্গিত দেয় বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

ভারত পাকিস্তানের কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দাবৃত্তি ও সন্ত্রাসীদের যোগাযোগের অভিযোগে পাকিস্তান হাই কমিশনের অর্ধেক কর্মীকে বহিষ্কারের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

একই সঙ্গে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাস থেকে সমসংখ্যক কর্মীকে প্রত্যাহার করা হবে।

তিন সপ্তাহ আগে দুই পাকিস্তানি দূতাবাস কর্মীকে বহিষ্কারের পর থেকেই পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সম্পর্কে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পাকিস্তান দূতাবাসের দুই কর্মীকে গোয়েন্দাবৃত্তির অভিযোগে ইসলামাবাদে ফেরত পাঠিয়েছিল ভারত।

অন্যদিকে কয়েকদিন আগে ইসলামাবাদের ভারতীয় দূতাবাসের দুই কর্মী ‘নিখোঁজ’ হওয়ার পর তাদের মুক্তি দেয় পাকিস্তানের পুলিশ। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের দাবি ওই দুই কর্মী সড়ক দুর্ঘটনার পর পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে। তাদের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ সচিবালয় থানায় দায়ের করা মামলায় এক জনের কাছে জাল নোট পাওয়ার অভিযোগও আনা হয়।

সে সময় এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানি কর্মীরা গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসীদের যোগাযোগ করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে এক সপ্তাহের মধ্যে দুই হাই কমিশনকে ৩৫ জন কর্মীকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে।

এদিকে ২০১৯ সালের আগস্ট থেকে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন প্রত্যাহার করার পর পাকিস্তান ভারতের সাথে প্রায় সমস্ত বাণিজ্য ও পরিবহন সম্পর্ক স্থগিত করে।