চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বড় পর্দায় মৃত্তিকা গুণের প্রথম চলচ্চিত্র

শুক্রবার বড় পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে মৃত্তিকা গুণের প্রথম চলচ্চিত্র ‘কালো মেঘের ভেলা’…

আসছে শুক্রবার (২৬ জুলাই) বড় পর্দায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে মৃত্তিকা গুণ পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কালো মেঘের ভেলা’। সরকারি অনুদানে নির্মিত ও ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাচ্ছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম-এর পরিবেশনায়।

চ্যানেল আই অনলাইনকে নির্মাতা মৃত্তিকা গুণ জানান, আসছে শুক্রবার আমার নির্মিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘কালো মেঘের ভেলা’ মুক্তি পাচ্ছে। রাজধানীর বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্স ও যমুনা ব্লকবাস্টারে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

ছবিটির প্রচার প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত আছেন নির্মাতা। সম্প্রতি অন্তর্জালে মুক্তি পেল ছবির ট্রেলার। যেখানে প্রশংসিত হয়েছে দুখু নামের এক বালকের গল্প, ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র দুখুর সংলাপ এবং অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক।

ট্রেলারে দেখা যায়, স্টেশনে থাকে দুখু। বয়স খুব বেশী নয়, বড়জোর দশ বছর! টোকাই দুখু। ট্রেনের যাত্রীদের মালামাল বহন করে। কিন্তু এক যাত্রী ব্রিফকেস ও একটি বস্তা নিয়ে দুখুকে ডাকলে সে শুধু যাত্রীর ব্রিফকেসটিই বহন করে সামনে এগিয়ে চলে। বস্তা বহন না করার কারণ জানতে চাইলে যাত্রীকে মুখের উপর সে বলে দেয়, ‘এই দুখু কোনোদিন বস্তা কান্ধে লয় না, বস্তা কান্ধে লয় গাধারা!’

কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা ও মৃত্তিকা গুণের পরিচালনায় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘কালো মেঘের ভেলা’। স্বল্পদৈর্ঘ্যের জন্য সরকারি অনুদান পেলেও বহু খাটাখাটনি করে গল্পটিকে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে রূপ দিয়েছেন মৃত্তিকা গুণ।

ছবিটি সম্পর্কে চ্যানেল আই অনলাইনকে মৃত্তিকা বলেন, ছোটবেলা থেকেই বাবার লেখা প্রিয় উপন্যাসের একটি ‘কালো মেঘের ভেলা’। ক্লাস সিক্সে প্রথমবার বইটার সঙ্গে পরিচয়। পড়তে পড়তে নিজেও হারিয়ে যান কল্পনার রাজ্যে। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র দুখু মিয়া দাগ কাটে তার মনে। সেই থেকেই মাথায় গেঁথে যায় গল্পটি। তখনই ভেবেছিলেন, এটি নিয়ে কাজ করার। সেই সুযোগ এলো ২০১৫ সালে। সরকারি অনুদান পাওয়ার পর সময় নিয়ে শিল্পী নির্বাচন ও শুটিংয়ের কাজ করলেন মৃত্তিকা। স্বল্পদৈর্ঘ্য হিসেবে অনুদান পাওয়া এই ছবিটি এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে।

ছোটদের মনস্তাত্বিক বিষয় নিয়ে ছবি করলেও নির্মাতা মনে করছেন, ‘কালো মেঘের ভেলা’ ছবিটি শুধু ছোটদের নয়, এটি প্রাপ্ত বয়স্ক ও মনস্কদের ছবি। স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা টার্গেট দর্শক থাকলেও ছবিটির খবর সব শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছাতে চান মৃত্তিকা।

ছবিটি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে মৃত্তিকা বলেন, আমি আশাবাদী, যারা সিনেমাটি দেখবেন তাদের থেকে প্রতিক্রিয়াও ভালো আসবে। কারণ ছবিটি আমি বেশ যত্ন নিয়ে নির্মাণ করেছি। রিয়েল স্পটে গিয়ে শুট করেছি। মূল গল্পে যে বারহাট্টার একশো বছরের পুরনো জঙ্গলের কথা উল্লেখ আছে সেখানে গিয়েই শুট করেছি।

ছবির চিত্রনাট্য করেছেন প্রয়াত ফারুক হোসেন। ছবির বেশিরভাগ অংশের শুটিং হয়েছে কবি নির্মলেন্দু গুণের গ্রাম বারহাট্টায়। এছাড়া কমলাপুর, পুবাইল, তেজগাঁও বস্তিতেও শুটিং সম্পন্ন করেছেন মৃত্তিকা গুণ।

গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র মা ও ছেলে। যেখানে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রুনা খান ও ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন পিদিম থিয়েটারের আপন।

Bellow Post-Green View