চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বড় অক্ষরে লেখায় বাতিল সালাহর ভোট

ভোট জালিয়াতি করে লিওনেল মেসিকে ‘দ্য বেস্ট’ করার অভিযোগ উঠেছে ফিফার বিরুদ্ধে! সেই বিতর্কে নতুন সংযোজন মোহামেদ সালাহর পক্ষে জমা পড়া ভোট বাতিল। ফিফা অবশ্য ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিয়েছে কেনো তালিকাভুক্ত করা হয়নি মিশরীয় ফরোয়ার্ডের সেই ভোটটি।

‘দ্য বেস্ট’ বর্ষসেরা অনুষ্ঠানের পর কোন খেলোয়াড়ের পক্ষে কত ভোট পড়েছে তার তালিকা দিয়েছিল ফিফা। সেটা দেখার পর নড়েচড়ে বসেন অনেকেই। সুদান জাতীয় দলের কোচ ড্রাভকো লোগারুসিচ অভিযোগ করেন, তিনি মেসিকে ভোটই দেননি। অথচ তার প্রথম ভোটটি দেখানো হয়েছে আর্জেন্টাইন তারকার পক্ষে।

অন্যদিকে মিশরের কোচ শকি গারিব ও অধিনায়ক আহমেদ এলমোহামেদির দাবী তারা ভোট দিয়েছিলেন সালাহকে। কিন্তু তাদের ভোট গণনাই করা হয়নি!

পরে বিবৃতি দিয়ে ফিফাকে বলতে হয়েছে কেনো ওই দুজনের ভোট বাতিল করা হয়েছে। কারণটা হল, ভোট দেয়ার সময় নাকি সালাহর নামের অক্ষরগুলো বড় হাতে লিখেছিলেন মিশরের কোচ ও অধিনায়ক। ফুটবলের গভর্নিং বডির নিয়মানুসারে যা অগ্রহণযোগ্য।

বিজ্ঞাপন

‘ভোটের কাগজে সালাহর নামটা ছিল বড় হাতের। এই কারণে তার পক্ষে ভোট গণনা করা হয়নি’ বিবৃতিতে এমনটাই ফিফার ভাষ্য।

কোচ আর অধিনায়কের ভোট দেয়ার পর তাতে স্বাক্ষর করেন মিশর ফুটবল ফেডারেশনের মহাসচিব। ফিফার নমুনাপত্রে দেখানো হয়েছে সেই স্বাক্ষরও গায়েব। কারণ হিসেবে ফিফা বলছে যেহেতু ভোট বাতিল হয়েছে, সেজন্য স্বাক্ষরও দেখানো হয়নি। সংস্থাটির ভাষ্য মতে ‘পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়ায়’ এই ভুল করেছে মিশর!

ফিফা ‘দ্য বেস্ট’ মনোনয়নে তিনটি করে ভোট দিতে পারে প্রতিটি দেশ। কোচ-অধিনায়ক এবং একজন প্রথিতযশা সাংবাদিকের ভোট পান মনোনীত খেলোয়াড়রা।

মিশরের কোচ শকি গারিব ও অধিনায়ক আহমেদ এলমোহামেদির ভোট ছিল সালাহর পক্ষে। শেষ পর্যন্ত চারে থেকেই খুশি থাকতে হয়েছে লিভারপুল ফরোয়ার্ডকে। দেশটির খ্যাতনামা সাংবাদিক হানি ড্যানিয়েল ভোট দিয়েছেন সাদিও মানেকে। তার ভোট অবশ্য গণনা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন