স্পোর্টস

বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিসিবিকে আইনি নোটিশ

বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিসিবিকে আইনি নোটিশ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ও স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি), বিসিবি সভাপতিসহ নোটিশ পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট সাত ব্যক্তির কাছে।

এ ব্যাপারে জানতে সোমবার বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বোর্ডে কোনও নোটিশ আসেনি। এ ব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলতে রাজী হননি এই কর্মকর্তা।

জানা গেছে আইনি নোটিশে বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের পর বিসিবির বর্তমান কমিটি অবৈধ হয়ে গেছে। তাই তাদের বিসিবির কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। শনিবার পাঠানো আইনি নোটিশে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিসিবিকে বার্ষিক ও বিশেষ সভা আয়োজনের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান বোর্ড সভাপতি এবং পরিচালনা পর্ষদকে তাদের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আইনি নোটিশ পাওয়ার পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো, সেটি আগামী তিন দিনের মধ্যে না জানালে বাদী মোবাশ্বের হোসেন আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

বিসিবির গঠনতন্ত্র সংক্রান্ত মামলায় গত ২৬ জুলাই দেওয়া আপিল বিভাগের রায় নিজেদের পক্ষে দাবি করে ২ অক্টোবর বার্ষিক সাধারণ সভা ও বিশেষ সাধারণ সভার তারিখ ঘোষণা করে ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু মামলার বাদীর দাবি, রায় অনুযায়ী বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পরিষদের কোনো বৈধতা নেই।

২০১২ সালের ১ মার্চ গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছিল বিসিবি। সেটি অনুমোদন না দিয়ে কিছু সংশোধনী এনে ওই বছরের নভেম্বরে নতুন গঠনতন্ত্র তৈরি করে এনএসসি। ডিসেম্বরে এনএসসির সংশোধিত গঠনতন্ত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন বিসিবির নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য প্রয়াত ইউসুফ জামিল বাবু ও মোবাশ্বের হোসেন। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট রায় দেন, এনএসসির সংশোধিত গঠনতন্ত্র অবৈধ। পরদিনই হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে এনএসসি ও বিসিবি। ওই বছর ২৫ জুলাই আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। পরে দেশের স্বার্থ বিবেচনায় এনএসসির সংশোধিত গঠনতন্ত্রেই নির্বাচনের অনুমতি পায় বিসিবি।

বিসিবির ইজিএম ও এজিএম (বিশেষ সাধারণ সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা) আয়োজন করতে একটি কমিটি গঠন করেছিল বিসিবি। ২ অক্টোবর করার সিদ্ধান্ত নেন কমিটি। আগামী নির্বাচনের দিনক্ষণও সেখানে ঠিক হওয়ার কথা। তবে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনি নোটিশ পাঠানোয় তা হবে কিনা; সেটি নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। নোটিশ পেলে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে বিসিবি।

বিষয়:বিসিবি গঠনতন্ত্র

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…