চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা, ৭৮ জনের মৃত্যু

শনাক্ত ৫৮১৯

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৪০০তম দিনে নতুন ৭৮ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ৭৩৯ জন।

বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর এটাই সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে গতকাল (১০ এপ্রিল) সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ৭৭ জন।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ৮১৯ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‍রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২৯ হাজার ৩৭৬টি নমুনা পরীক্ষায় পাঁচ হাজার ৮১৯ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১২ লাখ ৬৩ হাজার ৭১০টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ লাখ দুই হাজার ৮৬৫টি নমুনা।

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ছয় লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৬ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ২১২ জনসহ মোট পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯০ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ২০ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৭৮ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে জন ৫৩ জন পুরুষ ও ২৫ জন নারী। তাদের মধ্যে ৭৭ জন হাসপাতালে ও এক জন মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা নয় হাজার ৭৩৯। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৪২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত সাত হাজার ২৭৯ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং দুই হাজার ৪৬০ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৭৮ জনের মধ্যে শূন্য থেকে দশ বয়সী এক জন, ত্রিশোর্ধ্ব ছয় জন, চল্লিশোর্ধ্ব সাত জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৬ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৪৮ জন রয়েছেন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৪৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ জন, রাজশাহী বিভাগে চার জন, খুলনা বিভাগে চার জন, সিলেট বিভাগে দুই জন ও রংপুরে বিভাগে এক জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৩ কোটি ৬১ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৯ লাখ ৪১ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১০ কোটি ৯৫ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন