চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বেনাপোল দিয়েই দেশ ছাড়েন পিকে হালদার

বিমানবন্দর দিয়ে দেশ ছাড়ার কথা রটলেও কোন উড়োজাহাজে উড়াল দিয়ে নয়, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়েই দেশ ছেড়েছেন বহুল আলোচিত পিকে হালদার।

বিজ্ঞাপন

ইমিগ্রেশন পুলিশের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে এই তথ্য জানানো হয়। এবিষয়ে সোমবার বিকেলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর দুদক একটি চিঠি দেয় যে পিকে হালদার যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারেন। ওই চিঠি এসবি সদর দফতর হাতে পান ২৩ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪ টায়। এরপর সদর দফতর থেকে পাঠানো এই চিঠির তথ্য দেশের সকল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইউনিটে পাঠানো হয় ২৩ অক্টোবর ৫ টা ৪৭ মিনিটে। তবে তার আগেই পি কে হালদার ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৩৮ মিনিটে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়েই দেশ দেশত্যাগ করেন বলা জানা যায়। অর্থাৎ পিকে হালদারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞায় দুদকের দেয়া চিঠি ইমিগ্রেশন পুলিশ পাওয়ার আগেই তিনি দেশত্যাগ করেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয় যে, পিকে হালদার জালিয়াতির মাধ্যমে দেশের কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নামে-বেনামে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। যার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো দেউলিয়া হতে বসেছে এবং গ্রাহকের আমানতের টাকা ফেরত দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। এসবের মাঝেই পিকে হালদার গোপনে দেশ ছাড়েন। একপর্যায়ে পিকের বিষয়ে স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সেই সাথে পিকে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনা ও তার গ্রেপ্তারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চান উচ্চ আদালত। অন্যদিকে গত ৮ জানুয়ারি পিকে হালদারকে গ্রেপ্তারে রেড অ্যালার্ট জারি করে ইন্টারপোল।