চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে সব কারখানা: বিজিএমইএ

পোশাক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেনি এমন একটি কারখানাও নেই, অর্থাৎ সব কারখানা বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

শনিবার সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প কঠিন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। একদিকে শ্রমিকদের মজুরি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, কাঁচামালসহ উৎপাদন খরচ অনেকগুন বেড়েছে, অন্যদিকে ক্রেতার কাছ থেকে তৈরি পোশাকের মূল্য আগের চেয়ে আরো কমেছে। এই অবস্থায় একজন মালিকের পক্ষে গত ৩ মাসের কাজের বিপরীতে দুই ঈদের বোনাসের ৫ মাসের মজুরি পরিশোধ করতে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এতে বলা হয়, ২ ঈদের ছুটির কারণে শ্রমিকদের কর্মঘন্টা কম পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রায় ২৭৮টি কারখানা বেতন বোনাস প্রদানের বিষয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এ রকম তালিকা বিজিএমইএ গ্রহণ করেছে। এই ২৭৮টি কারখানাকে ক্লোজ মনিটরিং করা হয়েছে। ফলে ২৭৮ কারখানার মধ্যে ৪৭টি কারখানায় বিজিএমইএর মাধ্যমে শ্রমিকদের বেতন বোনাস প্রদানের বিষয়ে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজিএমইএ বলেছে, এখন পর্যন্ত বিজিএমইএর সদস্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেতন ভাতা পরিশোধ করা হয় নাই এ রকম একটি কারখানায় নাই।

শ্রমিক-কর্মচারীরা বিজিএমইএর পরিবারেরই অংশ এমন মন্তব্য করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শ্রমিকদের আনন্দঘন উৎসব মুখর পরিবেশে পরিবার পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়ীতে ঈদ উদযাপন করার লক্ষ্যে বেতন বোনাস দিয়ে কারখানাগুলো ছুটি প্রদান করা হয়েছে। এবারেই প্রথম হাইওয়েতে অতিরিক্ত চাপ কমানোর লক্ষ্যে আমরা এলাকা ভিত্তিক ধাপে ধাপে ছুটি প্রদান করা হয়েছে। নিরাপদে গ্রামের যাওয়ার জন্য স্পেশাল বাস, ট্রেন এবং লঞ্চ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, কলকারখানা অধিদপ্তর, সকল গোয়েন্দা সংস্থা, শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শ্রম মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়, নৌ পরিহন মন্ত্রণালয়, রেল মন্ত্রণালয়সহ সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

Bellow Post-Green View