চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বেতন কাটলে চুক্তি বাতিল করতে পারবেন ফুটবলাররা!

করোনাভাইরাসের কারণে যদি বেতন কেটে নেয় ক্লাব, তবে খেলোয়াড়দেরও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করার অধিকার থাকা উচিত বলে মনে করেন টটেনহ্যাম হটস্পারের বেলজিয়ান ফুটবলার টবি অ্যাল্ডারওয়ারইল্ডসের এজেন্ট স্টিয়ান ফ্রান্সিস।

কোনভাবেই খেলোয়াড়দের বেতন কেটে রাখার জন্য জোর দিতে পারবে না ক্লাব, এমনই বলেছেন এ ফুটবল এজেন্ট। গত সপ্তাহে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের থেকে ৩০ শতাংশ বেতন কেটে রাখা হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

যদিও পেশাদার ফুটবলার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এখন পর্যন্ত চুক্তি হয়নি তাদের। অবশ্য করোনার জন্য তহবিল সংগ্রহে এরইমধ্যে নিজেদের বেতনের একটা অংশ দান করেছেন খেলোয়াড়রা। ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক অনুরোধ করেছেন, খেলোয়াড়রা যেন তাদের বেতনের একটা অংশ ছেড়ে দেন।

বিজ্ঞাপন

স্বেচ্ছায় বেতন কম নেয়া আর জোর করে বেতন কেটে রাখার মাঝে বিস্তর ফারাক দেখছেন ফ্রান্সিস। কোনভাবেই ক্লাব খেলোয়াড়দের কম বেতন দেয়ার অধিকার রাখে না বলে গার্ডিয়ানে এক কলাম লিখেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

‘যখন ক্লাব কোনো ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করে তখন তার সাইনিং ফী, দলবদলের খরচ ও তার সম্ভাব্য বেতনের ঝুঁকি মাথায় রেখেই সবকিছু ঠিক করে।’

‘বিনিময়ে একজন ফুটবলার কোনভাবেই চুক্তির আগে ক্লাব ছাড়তে পারে না কিংবা অন্যকোনো ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করতে পারে না। খেলোয়াড় একইসঙ্গে এই বিষয়ে নিশ্চিত থাকে যে যতই প্রতিকূল পরিস্থিতি আসুক ক্লাব তার বেতন পরিশোধ করবেই।’

‘ক্লাবগুলো এখন এই চুক্তির নৈতিকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খেলোয়াড়দের বেতন কাটতে চাইছে।’

‘যদি ক্লাবগুলো এভাবে বেতন কম নেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে তবে খেলোয়াড়দেরও একজন পেশাজীবী হিসেবে ক্লাবের সঙ্গে একই আচরণ করা উচিত।’

‘ক্লাবগুলোকে বেতন কাটার সময় এই বিষয়টাও মেনে নিতে হবে যে, খেলোয়াড়রা তাদের চুক্তি বাতিল করতে পারবে এবং কোনরকম জিজ্ঞাসা ছাড়াই বিনা ট্রান্সফার ফীতে অন্য দলের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবে।’