চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বুদ্ধিমতী স্ত্রী আয়ু বাড়ায় পুরুষের

জীবন সঙ্গী খুঁজছেন? সুন্দরী নয় বরং খুঁজতে থাকুন বুদ্ধিমতী নারী। আর তার কারণ হলো, বুদ্ধিমতী নারীকে বিয়ে করলে সংসার সুখের হওয়ার পাশাপাশি পুরুষের আয়ুও বেড়ে যায়। ইউনিভার্সিটি অব অ্যাবারডিন এর গবেষণায় এমনটাই জানানো হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে যারা বুদ্ধিমতী নারীদের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ, তারা অন্যদের তুলনায় আরও কিছুদিন বেশি বাঁচেন। কারণ, মানসিক অসুস্থতা থেকে বুদ্ধিমতী স্ত্রীরা স্বামীকে রক্ষা করতে পারেন। ইউনিভার্সিটি অব অ্যাবারডিন এর মেডিসিন অ্যান্ড লাইফ সাইন্স বিভাগের মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগের প্রফেসর লরেন্স হোয়ালের বলেন, ‘কোনো পুরুষ যদি দীর্ঘদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকতে চান, তাহলে তাকে পরামর্শ দেব বুদ্ধিমতী নারীকে বিয়ে ঙ্করুন।’ তার মতে, ডিমেনশিয়ার মতো ডিজেনেরেটিভ ডিজিজ থেকে স্বামীকে রক্ষা করতে পারেন বুদ্ধিমতী স্ত্রী। ডিমেনশিয়া হলো স্মৃতিভংশ রোগ। বয়সের সাথে সাথে মস্তিষ্কের নিউরন নির্দিষ্ট হারে কমতে থাকে। ফলে রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির বুদ্ধি, স্মৃতি ও ব্যক্তিত্ব লোপ পায়। রোগী হতাশা, নিদ্রাহীনতা ও অন্যান্য সমস্যায় ভোগে্ন।

বিজ্ঞাপন

গবেষণাটি করা হয়েছে একাধিক যমজ সহোদরের উপর। তাতে দেখা গেছে যাদের স্ত্রী বুদ্ধিমতী, তারা অনেক বেশি সুস্থ আছেন। যমজ সহোদরদের একজনের স্ত্রী যদি বেশি বুদ্ধিমতী হন, তাহলে অপর জনের চাইতে তার মস্তিষ্ক অনেক বেশি ভালো থাকতে দেখা গেছে। এমনকি ডিমেনশিয়া হওয়ার সম্ভাবনা আছে যেসব পুরুষের, তারা বুদ্ধিমতী নারীকে বিয়ে করার পরে ব্রেইন স্ক্যান করে দেখা গেছে সুস্থ আছেন তারা।পাজল এবং ক্রস ওয়ার্ড যেমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মস্তিষ্ককে সচল রাখে, ঠিক তেমনই বুদ্ধিমতী স্ত্রীরাও স্বামীকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেন। ফলে মস্তিষ্ক সচল থাকে।

মজার বিষয় হলো বিয়ে করার ক্ষেত্রে পুরুষরা সাধারণত একটু কম চালাক কিংবা স্বাবলম্বী নন এমন নারীকেই বেঁছে নেন। কিন্তু বুদ্ধিমতী নারীকে বিয়ে করলে পুরুষ তার স্ত্রীর সঙ্গে অনেক জটিল বিষয়েও স্বাচ্ছন্দ্যে আলাপ করতে পারেন। সেই সঙ্গে সচল থাকে মস্তিষ্ক এবং সুস্থ থাকে দেহ। ডিপলি।