চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিসমিল্লাহ গ্রুপের এমডি-চেয়ারম্যানসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

অর্থ পাচারের মামলায় দণ্ডিত বিসমিল্লাহ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী ও তার স্ত্রী একই গ্রুপের চেয়ারম্যান নওরিন হাসিবসহ পলাতক সাত আসামিকে এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তার করে বিচারিক আদালতে সোপর্দের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

দণ্ডিত অন্যরা হলেন- বিসমিল্লাহ গ্রুপের পরিচালক খাজা সোলেমানের বাবা সফিকুল আনোয়ার চৌধুরী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকবর আজিজ মুতাক্কি, মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবুল হোসেন চৌধুরী, ব্যবস্থাপক রিয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, নেটওয়ার্ক ফ্রেইট সিস্টেম লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আক্তার হোসেন এবং জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ খান ও এস এম শোয়েব-উল-কবীর।

বিজ্ঞাপন

এই আসামিরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলে তাদের ধরতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড অ্যালার্ট জারি করতে বলেছেন আদালত।

পুলিশের মহাপরিদর্শক, র‌্যাবের মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারকে এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এবং আগামী ৫ এপ্রিল এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অর্থ পাচারের মামলায় দণ্ডিত জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা এস এম শোয়েব-উল-কবীরের জামিন আবেদনের শুনানির পর মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ২০১৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর অর্থ পাচারের এক মামলায় খাজা সোলেমান ও নওরিন হাসিবসহ নয়জনকে দশ বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার ১০ নম্বর বিশেষ জজ আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাচার করা ১৫ কোটি ৩৩ লাখ ৬১ হাজার ৬৮৬ টাকার দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ আসামিদের জরিমানা করা হয়। এবং ওই অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে তাদের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে বলা হয়।

তবে এই মামলার বিচার শুরু হওয়ার আগে আসামি জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা এস এম শোয়েব-উল-কবীর হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন। কিন্তু জামিনের শর্ত অনুযায়ী পরবর্তীতে তিনি বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ না করে রায়ের পর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে জেলে পাঠায়। এরপর বিভিন্ন সময় তিনি জামিন আবেদন করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে। এক পর্যায়ে রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পাশাপাশি তিনি জামিন আবেদন করেন। সেই জামিন আবেদনের শুনানির পরই আজ হাইকোর্ট এই মামলার বাকি পলাতক আসামিদের বিষয়ে আদেশ দিলেন।

আজ আদালতে আসামি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী হাসান এসএম আজিম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।