চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিষণ্ণতায় ভুগেছিলেন কপিল শর্মাও, অকৃতকার্য হয়েছিলেন গণিতে

সুশান্তের আকস্মিক মৃত্যুর পরে বলিউডের ‘স্বজন পোষণ’র পাশাপাশি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে তা হলো মানসিক স্বাস্থ্য। একে একে তারকারা জানাচ্ছেন তাদের বিষণ্ণতায় ভোগা এবং তা কাটিয়ে ওঠার ঘটনাগুলো। এবার কপিল শর্মা জানালেন, বিষণ্ণতায় ভুগেছিলেন তিনিও। কথা বললেন, শিক্ষার্থীদের মনের ওপর পরীক্ষার ফলাফলের নেতিবাচক প্রভাব প্রসঙ্গে।

ভারতীয় গণমাধ্যম পিঙ্ক ভিলায় দেখা সাক্ষাৎকারে কপিল শর্মা বলেন, ‘আমার মনে হয় সবচেয়ে ভালো হয় কাছের কাউকে বিষণ্ণতার বিষয়টি খুলে বললে। সেটা পরিবার হোক বা প্রফেশনাল কেউ হোক, আবেগের কথাওগুলো চেপে না রেখে বলাটা জরুরি। আমি সৌভাগ্যবান যে গিন্নী আমার পাশে ছিলেন। আমি তাকে আমার মনের সব কষ্টের কথাগুলো বলেছিলাম, এমনকি বিয়ের আগেও বলতাম। কেউ যদি বিষণ্ণতায় ভুগতে থাকে তাহলে তার মনের কথা কাউকে বলতে হবে, নাহলে ভুল পথ বেছে নেয়ার সম্ভাবনা থাকে।’

বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীদের ফলাফল খারাপ হলে অনেক সময় তারা বিষণ্ণতায় ডুবে যায়। তাদের উদ্দেশে কপিল শর্মা বলেন, ‘পরীক্ষার ফলাফল মনমতো না হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীই ভুল পথ বেছে নেয়। এটা খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় অভিভাবকদেরকে সন্তানদের পাশে থাকতে হবে, বলতে হবে যে এটা শুধুই একটি পরীক্ষা। পরীক্ষা আবারও দেয়া যাবে, এখানেই পৃথিবীটা শেষ নয়।’

নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দশম শ্রেণিতে গণিতে অকৃতকার্য হয়েছিলাম। বাবাকে বলতে ভয় পাচ্ছিলাম, কিন্তু বলেছিলাম। বাবা আমাকে বুঝেছিলেন। গণিতে ফলাফল খারাপ হলেও অন্য বিষয়গুলোতে ভালো করেছিলাম। আর এখন, আমি যা করছি সফল ভাবে করছি। যেই কাজ আমি করছি, তাতে তখনকার কোনো বিষয়ই আমার কাজে লাগছে না। জীবন একটা ভ্রমণ। সন্তানদের শেখাতে হবে এটা শুরু থেকেই। সন্তানদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলতে হবে, কারণ জীবনে অনেক বাধা আসবে। পরীক্ষাই জীবনের সবকিছু নয়।’