চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিশ্ব কেন ‘স্কুইড গেম’-এ মেতেছে, কী আছে এতে?

নেটফ্লিক্সের ‘স্কুইড গেম’ এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত শো-গুলোর একটি। বিশ্বব্যাপী সাম্প্রতিক এমন আলোড়ন খুব কম সিরিজই তুলতে পেরেছে। কিন্তু কেন এত জনপ্রিয় হয়ে উঠলো দক্ষিণ কোরিয়ার এই ড্রামা?

১৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়া এই সিরিজ সম্পর্কে নেটফ্লিক্সের কো-সিইও টেড সাদান্দোস ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেছিলেন, ‘এটি সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।’ তখন বিষয়টি অনেকে হালকাভাবে নিলেও এখন আর হালকা ভাবে নেয়ার সুযোগ নেই।

দিনে দিনে এর জনপ্রিয়তা এতটাই বাড়ছে যে চায়ের দোকান থেকে সামাজিক মাধ্যম, সবখানেই আলোচনায় ‘স্কুইড গেম’!

২০০০ সালের একটি জাপানিজ সিনেমা ‘ব্যাটল রয়্যাল’ থেকে অনুপ্রাণিত এই সিরিজ। টিকে থাকার লড়াইয়ের গল্প। একটি খেলা খেলতে হয় যা আপাতদৃষ্টিতে শিশুদের খেলার মতো হলেও বাস্তবে তা নয়। স্কুইড গেমে জিতলে বেঁচে থাকা যায়, নাহলে মৃত্যু।

বিজ্ঞাপন

হোয়াং দং-হিউক ‘স্কুইড গেম’-এর অপ্রত্যাশিত এই সাফল্যে দারুণ খুশি। ‘ভ্যারাইটি’তে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমি একটি গল্প লিখতে চেয়েছি যা আধুনিক পুঁজিবাদী সমাজের গল্প তুলে ধরবে। এই চরিত্রগুলো বাস্তব জীবনে সবার চেনা।’

‘স্কুইড গেম’ প্রথমে সিনেমা হিসেবে তৈরি হলেও পরে সিরিজ আকারে নেটফ্লিক্সে এসেছে। এই বিশ্বের নানা দেশে সিরিজটি জনপ্রিয়তা পাওয়ার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন সাংমায়ুং ইউনিভার্সিটির কালচারাল কনটেন্ট প্রফেসর কিম পিয়ং-গ্যাং।

তার মতে, ‘মানুষ, বিশেষ করে তরুণরা বাস্তব জীবনে বিচ্ছিন্নতা ও বিরক্তিতে ভোগেন নিয়মিত। তারা চরিত্রগুলোর সাথে নিজেদের মেলাতে পেরেছেন।’

‘স্কুইড গেম’-এর সিকুয়েল নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এই প্রসঙ্গে ‘ভ্যারাইটি’কে নির্মাতা জানিয়েছেন, ‘স্কুইড গেম টু’ তৈরির পরিকল্পনা এখনও করেননি তিনি। এটা নিয়ে ভাবতেও এখন ক্লান্ত লাগছে তার।

বিজ্ঞাপন