চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিশ্বব্যাপী কমেছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু

বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনায় সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। এছাড়া আগের দিনের তুলনায় ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যাটাও কমেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাবিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাড়ে ৬ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগের দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত রোগী ও মৃত মানুষের সংখ্যা কমেছে। নতুন করে আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা ৩ লাখ ২৫৫ জন এবং এ রোগে নতুন মারা গেছেন ৬ হাজার ৬৭১ জন।

তার আগের দিন রোববার বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ৭২ হাজার ৫৯৬ জন এবং মারা গিয়েছিলেন ৮ হাজার ৫৬০ জন। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা তার আগের দিনের তুলনায় কমেছে।

মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ কোটি ৭০ লাখ ২০ হাজার ৩৩১ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৩০ জনের।

করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৩২ জন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৩৫ হাজার ২৩৯ জন।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় ও মৃত্যুর হিসেবে তৃতীয় অবস্থানে আছে ভারত। এরপর আছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল।

ভারতে এইদিন করোনায় নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬২ হাজার ৫৯৭ এবং এ রোগে মারা গেছেন ১ হাজার ৪৫২। ভারতে মোট মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬১। আর আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৯৫ লাখ ৭০ হাজার ৩৫ জন।

ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজার ৮৬৫ এবং এ রোগে দেশটিতে এই দিন মারা গেছেন ৯২৮ জন। দেশটিতে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪০৪ জনের। এছাড়া করোনায় মোট শনাক্ত হয়েছে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৫৪ হাজার ৮৬১ জনের দেহে।

তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স, পঞ্চম স্থানে তুরস্ক, ষষ্ঠ স্থানে রাশিয়া, সপ্তম যুক্তরাজ্য, অষ্টম ইতালি, নবম আর্জেন্টিনা এবং দশম স্থানে রয়েছে কলম্বিয়া।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। পরে সাধারণভাবে এই ভাইরাসটি পরিচিতি পায় নতুন বা নভেল করোনাভাইরাস নামে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। পরে ওই বছর ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

বিজ্ঞাপন