চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘বিশ্বকাপ সাফল্যের জন্য শ্রীলঙ্কার দরকার ঐক্য’

১৯৯৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য চামিন্ডা ভাস মনে করেন, শ্রীলঙ্কার বেশ কয়েকজন ‘স্পেশাল’ ক্রিকেটার আছেন, তবে সাফল্যের জন্য তাদের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে ঐক্য গড়া।

৩২২ ওয়ানডেতে ৪০০ উইকেট নেয়া ভাস এখন শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের সদস্য। তিনি এই গ্রীষ্মে দায়িত্ব নেয়ার জন্য দেশের তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। কারণ নতুন চেহারার দলটি যেন ওয়ানডে ক্রিকেটে দেশের সাম্প্রতিক বাজে অবস্থাটা কাটিয়ে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস বিশ্বকাপে ভালো করতে পারে।

আইসিসিকে সাক্ষাতকারে ভাস বলেছেন, ‘শ্রীলঙ্কা এখন ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ একটি দল। তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া দরকার। দলে অনেক স্পেশাল খেলোয়াড় রয়েছেন, যারা ইংল্যান্ডে ভালো করতে পারেন। দলীয় মনোভাব থাকলে, দলের মধ্যে ঐক্য থাকলে, আমি মনে করি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা ভালো করবে।’

আইসিসির সবশেষ প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে আটনম্বরে আছে শ্রীলঙ্কা। ১০ দলের বিশ্বকাপে তাদের নিচে আছে কেবল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান। দলের তরুণদের মধ্যে নিজের অভিজ্ঞতার কিছু দিতে পেরে যারপনাই খুশি ভাস।

বিজ্ঞাপন

ভাস বেশি খুশি, বিশেষ একজন পেসার হিসেবে দলের ফাস্ট বোলারদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে, ‘আমি এই খেলাটাকে ভালোবাসি, কারণ জীবনের অধিকাংশ সময় আমি এই কাজটাই করছি। এটা এমন জিনিস যেটা এখন তরুণদের মধ্যে ফিরিয়ে দিতে চাই। ২০ বছর খেলে যেমন আনন্দ পেয়েছি, কোচ হিসেবে কাজ করেও তরুণ বয়সের মতোই আনন্দ পাই।’

‘তাড়াহুড়া করো না’ -দলের তরুণদের প্রতি ভাসের বিশেষ পরামর্শ এমনই, ‘আমি তরুণ ফাস্ট বোলারদের বলেছি, তাড়াহুড়া করো না, শতভাগ দিয়ে ফিটনেসের উপর ফোকাস করো, ধৈর্য ধরো। পরের খেলার জন্য এটা রেখো না, আজ তুমি কি করতে পারো, সেটিই করো। তোমার দেশের জন্য এটা করো, মনে রাখতে হবে, তুমি কোথা হতে এসেছে, অজুহাত দেবে না, নিশ্চিত হও যে তুমি নম্র এবং যখন লোকেরা সমালোচনা করার চেষ্টা করে, তখনও তুমি সঠিকভাবে তা গ্রহণ কর।’

১৯৯৬তে জেতা বিশ্বকাপে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ভাস। এরপর আরও দুইবার (২০০৭, ২০১১) বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কা। অতীতের সফলতা বর্তমান দলের শক্তি ফিরিয়ে দেয়ার চাবি হতে পারে, আর সফল প্রচারাভিযানে তিনি যে দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারেন সেটার উপর জোর দিয়েছেন ভাস।

‘আমরা জানতাম যে, যদি আমরা বিশ্বকাপ জিতি (১৯৯৬) তাহলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের জন্য সেটা বিশেষ কিছু হবে। ১৯৯৯ সালের পর আমরা ফাইনাল বা সেমিফাইনালে উঠেছি। যখন বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আসে, তখন আমাদের খেলোয়াড়রা আসলেই ভালো করে।’

১ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ অভিযান। তার আগে অবশ্য ১৮ ও ২১ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতিমূলক ওয়ানডে খেলবে লঙ্কানরা।

বিজ্ঞাপন