চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জার্সি বিক্রি করতে না পারায় প্রতিবাদ

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জার্সির মূল্য ধরা হয়েছে ১১৫০ টাকা। অফিসিয়াল রেপ্লিকা জার্সি এবং গুণগত মান ভালো হওয়াতেই নাকি দাম হাজার ছাড়িয়েছে। জার্সি তৈরি ও বিক্রিতে বিসিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান স্পোর্টস অ্যান্ড স্পোর্টজ বলছে এমন কথাই। তবে জার্সি তৈরি-বিক্রির সঙ্গে জড়িত পুরনো ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস গুডস মার্চেন্টস, ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড ইস্পোর্টার্স এসোসিয়েশন বলছে, এটি প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়।

বুধবার সংগঠনটি ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি হলে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ জানায়। তাদের অভিযোগ, বিসিবি জার্সির বিক্রির স্বত্ত্ব নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানকে দেয়ায় অন্য কেউ ব্যবসা করতে পারছে না। নিজেদের মতো করে জার্সি বানানোর স্বাধীনতা থাকছে না। আইনগতভাবে দণ্ডনীয় হওয়ায় বিশ্বকাপ মৌসুমে ব্যবসা করতে না পারায় হতে হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ স্পোর্টস গুডস মার্চেন্টস, ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড ইস্পোর্টার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান ও সভাপতি মো. শামীম লিখিত অভিযোগপত্র তুলে ধরেন সংবাদমাধ্যমের সামনে।

বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ জার্সি

বিজ্ঞাপন

‘বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জার্সি চলে গেছে একটি সিন্ডিকেটের কব্জায়। যার কারণে দেশের সাধারণ মানুষকে এখন ৩০০ টাকায় তৈরি করা জার্সি ক্রয় করতে হবে সিন্ডিকেটের নির্ধারিত ১১৫০ টাকায়। কোনপ্রকার টেন্ডার আহ্বান ছাড়া একটি সিন্ডিকেটের চার প্রতিষ্ঠান ‘অঞ্জনস’, ‘জেন্টল পার্ক’, ‘স্পোর্টস এন্ড স্পোর্টজ’ এবং ‘রবিন স্পোর্টস’কে জার্সি তৈরি ও বিক্রয়ের দায়িত্ব দিয়েছে। এই চার সিন্ডিকেট ছাড়া অন্যকোন ক্রীড়া পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এই জার্সি তৈরি বা বিক্রয় করতে পারবে না বলে তারা সকল ক্রীড়া ব্যবসায়ীকে সতর্ক করছে। সাধারণ ক্রীড়ানুরাগীদের পক্ষে এত উচ্চমূল্যে অর্থাৎ, ১১৫০ টাকায় এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের গৌরবময় বাংলাদেশের লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়ানো সম্ভব হয়ে উঠবে না। আমরা এই অনিয়ম এবং ৩০০ টাকার জার্সি ৪০০ টাকা না হয়ে ১১৫০ টাকায় বিক্রয়ের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এতে করে দেশের সাধারণ মানুষ জার্সি ক্রয় করতে গিয়ে চরমভাবে প্রতারিত হবেন।’

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, ‘বিশ্বকাপ ক্রিকেট ৩০ মে যাচ্ছে। এই বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ দল লাল-সবুজ এর গৌরবময় জার্সি পরে মাঠে নামবে। সারা দেশের মানুষও দেশের গৌরবময় এই লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়িয়ে খেলা উপভোগ করবেন। জার্সি গায়ে বিশ্বকে ‘বাংলাদেশ’কে চেনাবেন। কিন্তু কিছু হঠকারী সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ জার্সি ক্রয় করে পরবার যে প্রত্যাশা মনের ভেতরে লুকিয়ে রেখেছিলেন, তা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন।’

এক বছরের জন্য বাংলাদেশ দলের জার্সি বিক্রির স্বত্ত্ব পাওয়া স্পোর্টস অ্যান্ড স্পোর্টজ বিশ্বকাপ জার্সি বিক্রির দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে। পোশাকের ব্র্যান্ড অঞ্জনস ও জেন্টল পার্কের প্রায় শতাধিক আউটলেটে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশ দলের জার্সি। বিক্রি হচ্ছে অনলাইনেও।

ক্রিকশপ বিডি ও জার্সি ফ্রিক বিডি, এই দুই অনলাইন প্রতিষ্ঠান তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জার্সি বিক্রি করছে। এছাড়া ডিমানি অ্যাপের মাধ্যমেও ক্রেতারা জার্সি কিনতে পারছেন। আর সারাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে জার্সি ছড়িয়ে দিতে আলাদাভাবে কাজ করছে রবিন স্পোর্টস।

Bellow Post-Green View