চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সাংবাদিক সুনীল ব্যানার্জি’র জন্মবার্ষিকী

২০ এপ্রিল। বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সুনীল ব্যানার্জির ৭০তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৪৭ সালের ২০ এপ্রিল সাতক্ষীরা শহরের এক অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৩ সাল থেকে প্রত্যক্ষভাবে তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ক্যাডার সার্ভিসে যোগ দেননি সুনীল ব্যানার্জি। এমন কি এল,এল,বি পাশ করে স্বাধীন আইন পেশায় যোগ না দিয়ে সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলায় সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক জনকন্ঠে’র কূটনৈতিক প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করতেন।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন অনুসন্ধানী রির্পোট লিখে তিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। ২০০৬ সালে একুশে গ্রন্থ মেলায় সুনীল ব্যানার্জির লিখিত বই ‘সাংবাদিকতায় বিড়ম্বনা’ পাঠক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য, ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আজীবন সদস্য ও কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর কার্যনির্বাহী পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

অবিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নের সঙ্গেও তিনি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। গত ২০০৬ সালের ২৮ আগষ্ট ভোররাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ নিজ বাস ভবনে তার আকস্মিক মৃত্যু হয়।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। তার স্ত্রী শিখা ব্যানার্জি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের অবসর প্রাপ্ত সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এবং একমাত্র সন্তান সাংবাদিক শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ এসবিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কম এর প্রধান সম্পাদক।

বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সুনীল ব্যানার্জি’কে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মরণোত্তর বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেছে। এর আগে মুক্তিযুদ্ধে অমূল্য অবদানের জন্য সুনীল ব্যানার্জিকে ২০১০ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মরনোত্তর স্বীকৃতি স্মারক প্রদান করা হয়।
প্রয়াত সুনীল ব্যানার্জির জন্মবার্ষিকীতে দেশবাসীর কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ।

বিজ্ঞাপন