চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিমলের পিপি পদ ও আইনজীবী সনদ থাকছেই না

Nagod
Bkash July

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ক্ষমাপ্রাপ্ত গোলাম মোহাম্মদ খান পাঠান বিমলকে নেত্রকোনার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) থেকে অপসারণে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

Reneta June

সেই সাথে তার আইনজীবী সনদ বাতিলের হাইকোর্টের রায়ও বহাল রয়েছে। হাইকোর্টের রায় বহালের ফলে গোলাম মোহাম্মদ খান পাঠান বিমল পিপি পদ থেকে অপসারন হবেন এবং তার আইনজীবী সনদ থাকছেই না বলে জানান আইনজীবী।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বিমলের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে সোমবার এই রায় দেয় বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

আদালতে বিমলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফিদা এম কামাল, এ এম আমিন উদ্দিন। আর রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন।

বিমল নেত্রকোনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়ের মামা। শ্বশুরকে হত্যার দায়ে ১৯৮৮ সালের ১৭ জুলাই নেত্রকোনা দায়রা জজ আদালতে বিমলের যাবজ্জীবন সাজা হয়।

১৯৯৩ সালের ১৭ জুন হাইকোর্টের বিচারিক আদালত এ রায় বহাল রাখে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতির মার্জনা পেয়ে ১৯৯৫ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পান বিমল। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের ৬ আগস্ট বিমল আইনজীবী হিসেবে বার কাউন্সিলে তালিকাভূক্ত হন।

২০০৯ সালের ২ এপ্রিল তিনি পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ পান। সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির পিপি পদে নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন নেত্রকোনার বাসিন্দা মো. মোশারফ হেসেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট পিপির কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করে। পরে ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দেয় বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

সে রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিমল। যা আজ খারিজ করেন আপিল বিভাগ।

BSH
Bellow Post-Green View