চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘বিপর্যয় ছাড়া আলবার্টার রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে’

আলবার্টার প্রিমিয়ার জেসন কেনি বলেছেন, মহামারির এই সময়ে আলবার্টায় রেস্টুরেন্ট বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। যদিও করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রায় তিন শতাংশ আতিথেয়তা সেক্টর থেকে হতে পারে।

শনিবার পার্টির ভার্চুয়াল বার্ষিক সাধারণ সভায় ইউনাইটেড কনজারভেটিভ পার্টির ভাষণে প্রিমিয়ার জেসন কেনি কথাগুলো বলেন।

বিজ্ঞাপন

সভায় তিনি আরো বলেন, র‌্যাচেল নটলি রেস্টুরেন্ট ও বারে নতুন নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছেন। এটি রাজনীতির ভিত্তিতে, জনস্বাস্থ্যের ডাটা নয়।

উল্লেখ্য, আলবার্টায় পুরো এক সপ্তাহ জুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।  শুক্রবার সর্বাধিক তিন হাজার ৬শ ৫১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

গত একমাসে, কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক হওয়ায় অন্টারিও এবং কিউবিক সরকারকে টরন্টো, মন্ট্রিয়েল, অটোয়া এবং কুইবেক শহরের রেস্টুরেন্টগুলোতে ভিতরে বসে খাওয়া বন্ধ করতে হয়েছে।

ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপ রেস্টুরেন্ট কানাডার তথ্য অনুসারে, গত মাসে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির তুলনায় রেস্টুরেন্ট শিল্পে কর্মসংস্থান এখনও ২১ শতাংশ কম।  মহামারির কারণে এই খাত থেকে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার কর্মী চাকরি হারিয়েছে।

উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মোঃ মাহমুদ হাসান বলেন, কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে, তাতে কোভিডরোধের বিধিনিষেধগুলো অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণের কোন বিকল্প নেই, প্রয়োজনে আবারও কঠোর অবস্থানে যেতে হবে, সরকারের পাশাপাশি জনগণকেও পূর্বের মতো সকল বিধিনিষেধ মেনেই চলতে হবে।

কানাডায় বিভিন্ন প্রভিন্সে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। যদিও কানাডার বিভিন্ন প্রভিন্সে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৫৯ জন, মৃত্যু্রণ করেছে ৯ হাজার ৯ শত ২২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৩৬ জন।