চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিনা নোটিসে পাঠাওয়ের প্রায় ৩শ’ কর্মী ছাঁটাই

আর্থিক দৈন্যতার মুখে প্রায় ৩শ’ কর্মী ছাঁটাই করেছে ডিজিটাল সেবা কোম্পানি পাঠাও।

রাইড শেয়ারিং দিয়ে জনপ্রিয় হলেও পাঠাওয়ের সবচেয়ে ভালো ব্যবসা আছে কুরিয়ার সার্ভিস বা ই-কমার্সের পণ্য ডেলিভারিতে। তাছাড়া ফুড ডেলিভারিও তাদের ভালো একটি ব্যবসা।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু গত কিছুদিন থেকে প্রায় ১শ’ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিনিয়োগ পাওয়ার কথা থাকলেও সেটি না পাওয়া এবং টপ ম্যানেজমেন্টের মধ্যে নানা বিষয়ে মতানৈক্যের কারণে সেবা চালানোই ঝুঁকির মুখে পড়ে যায় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক অবস্থাপনার অভিযোগও উঠেছে। তাই শেষ পর্যন্ত ব্যয় সংকোচন পরিকল্পনার কথা বলে কোনো নোটিস ছাড়াই সেখানকার প্রায় ৩ শতাধিক কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

তবে চাকুরির শর্ত অনুসারে একমাসের অগ্রিম বেতন ছাঁটাই হওয়া সব কর্মীকে দেয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ছাঁটাই হওয়াদের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

পাঠাওয়ের ওই বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির হেড অব মার্কেটিং নাবিলা মাহবুব বলেন, তারা যেসব নীতিগত পরিবর্তনের দিকে যাচ্ছেন তার প্রভাব পাঠাওয়ের সাংগঠনিক অবকাঠামোসহ এর ব্যবসার সর্বস্তরে মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তর ঘটাবে। সামনের দিনে তারা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে তাদের ব্যবসায় আরো মনযোগী হতে চান বলেও জানান নাবিলা।

পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন এমন কয়েকজনের কাছ থেকে জানা গেছে, সম্ভাব্য একটি বিদেশি বিনিয়োগ ঠিক সময়ে না পাওয়ায় তাদেরকে খরচ কমানোর দিকে যেতে হচ্ছে। এরই অংশ হিসাবে এসেছে আকস্মিক এই কর্মী ছাঁটাই।

এছাড়া রাইড শেয়ারিং সেবাকে প্রাধান্য দিয়ে অন্য ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনাও তাদের রয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশের ওসিরিজ গ্রুপ ও ব্যাটারি রোড ডিজিটাল হোল্ডিংসহ কয়েকটি কোম্পানির বিনিয়োগ রয়েছে পাঠাওয়ে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার রাইড শেয়ারিং কোম্পানি গো-জ্যাক এর বিনিয়োগ পাওয়ার কথাও জানিয়েছে পাঠাও।

কিছুদিন আগেও ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট মিলে দিনে এক লাখ রাইড দিত পাঠাও। অথচ গত কয়েক দিনে নেমে এসেছে ২০ হাজারের নিচে।

Bellow Post-Green View