চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিদেশে থাকলেও আমার মন পড়ে আছে দেশে: তাসকিন

চোখের সমস্যা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে চিকিৎসাধীন ‘ঢাকা অ্যাটাক’ খ্যাত অভিনেতা তাসকিন রহমান

‘ঢাকা অ্যাটাক’ এর পর টানা শুটিং করেছেন তাসকিন রহমান। সেজন্য শরীরের উপর কম ধকল যায়নি। এতে করে অসুস্থ হয়ে পড়েন ঢালিউডে নতুনদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত অভিনেতা তাসকিন রহমান। তাই চিকিৎসার জন্য নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি যান তিনি।

মূলত তাসকিনের অসুস্থতার কারণ ছিল অপটিক্যাল নার্ভে। মস্তিষ্কের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সেখানে কোনো সমস্যা হয়নি। অপটিক্যাল নার্ভে প্রচণ্ড চাপ পড়ায় ভীষণ অসুস্থ হন তারকা অভিনেতা তাসকিন রহমান।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সিডনি থেকে মুঠোফোনে তাসনিক আলাপ করেন চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে। তিনি জানান, আগের চেয়ে ভালো আছেন। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তাসকিন বলেন, ডিসেম্বরে সার্জারি হয়েছে। দুবার ফলোআপ হয়েছে। মার্চের প্রথম সপ্তাহে তৃতীয় ফলোআপ হবে। শেষ এই ফলোআপের রেজাল্টের উপর নির্ভর করছে কবে দেশে ফিরবো। আশা করছি ফিরতে বেশি দেরি হবে না। বিদেশে থাকলেও আমার মন পড়ে আছে দেশে। সেখানকার অনেকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। কাজের আলাপ হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তাসকিন সিডনি থাকায় শুটিংয়ে থাকা তার ‘গিরগিটি’ ছবির শুটিং স্থগিত আছে বলে জানালেন। এছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত অপারেশন সুন্দরবন, ওস্তাদ, মিশন এক্সট্রিম, ক্যাসিনো, শানসহ একাধিক সিনেমা।

তাসকিন বলেন, সিডনিতে বেশীরভাগ সময় বিশ্রামে আছি। অপারেশন ঠিকভাবে হয়েছে। এখন আমাকে বিশ্রাম নিতে বলা হয়েছে। আগের চেয়ে অনেক ভালো আছি। কম্পিউটার বা টিভি মনিটরের দিকে কম তাকাতে বলা হয়েছে। চোখের প্রেসার বেড়ে যাওয়ায় এই সমস্যা হয়েছে। কিছুদিন আগে গণমাধ্যমে আমার অসুস্থতা ও সার্জারি নিয়ে ভুল সংবাদ এসেছে। মস্তিস্কে নয় আমার প্রধান সমস্যা চোখে।

তিনি বলেন, চিকিৎসক বলেছেন ঠিক হয়ে যাবে। পরে ভারি কোনো কাজ করতেও সমস্যা হবে না।

এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল গভর্নমেন্টের সঙ্গে ইনভেশটিগেশন ডিপার্টেমেন্টে কাজ করতেন। প্রায় একযুগের বেশি সময় ধরে তিনি সেখানে কর্মরত ছিলেন। এবার সেখানে গিয়ে কাজে যোগ দেননি। তাসকিন বলেন, অথরিটি আমার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে অবগত। চাইলেই চুক্তিতে কাজ করতে পারবো। কিন্তু আমার অনেকগুলো সিনেমা মুক্তির প্রহর গুনছে। এখনও পর্যন্ত মনে হচ্ছে আমি বাংলাদেশে কাজ করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ, মানুষ এখনও সিনেমা দেখতে চাচ্ছে। তবে তারা ভালো সিনেমা চাচ্ছে। এখন আমাদের উচিত তাদের ভালো মানের ছবি উপহার দেওয়া। আমি বেছে বেছে ভালো কাজের চেষ্টা করেছি।