চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ইয়াবা কারবারি রোহিঙ্গা নিহত

৩১ জুলাই পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের পর থেকে দীর্ঘ আড়াই মাসের বেশি সময় কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামে বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সাথে সংগঠিত কথিত বন্দুকযুদ্ধ বন্ধ ছিল। এ দীর্ঘ সময়ে ঘটেনি কোন প্রাণহানি। তবে ২ মাস ২০ দিন পর আবার শুরু হলো কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের বাঁইশফাড়ি সীমান্তে বিজিবি’র সাথে বন্ধুকযুদ্ধে মোঃ আদহাম (৩০) নামের এক রোহিঙ্গা ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছে। বুধবার ভোরে সীমান্তের ৩৫নং পিলারের সন্নিকটে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে৷ সে তুমব্রু কোনাপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের আবুল হাশেমের ছেলে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, ২ রাউন্ড কার্তুজ ও ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে।

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমদ জানান, নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমঘুম ইউনিয়নের তুমব্রু বাইশফাড়ি সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা আসার খবর পেয়ে বিজিবি সেখানে অবস্থান নেয়। এসময় ১০/১২জনের একটি দল মিয়ানমার থেকে আসতে দেখে বিজিবি তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে এবং ইয়াবা কারবারিরা টহল দলকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি বর্ষণ শুরু করলে টহল দল তাদের জানমাল রক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। তখন অজ্ঞাতনামা ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পাহাড়ী জঙ্গলের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে টহল দল ঘটনাস্থল থেকে ওই রোহিঙ্গাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইয়াবা ও দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুকসহ উদ্ধার করে।  উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উদ্ধারকৃত ইয়াবা মূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান কর্নেল আলী হায়দার।