চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিচ্ছেদের পর ক্যাসকেড থেকে ২ বিলিয়ন ডলার পেয়েছেন মেলিন্ডা

বিল গেটসের সবচেয়ে বড় সম্পদের নাম ক্যাসকেড ইনভেস্টমেন্ট। বিচ্ছেদের পর ক্যাসকেড থেকে গত কয়েকদিনে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি সম্পদ পেয়েছেন মেলিন্ডা গেটস।

এর আগে ৩ মে ক্যাসকেড মেলিন্ডার নামে ১ কোটি ৪১ লাখ শেয়ার স্থানান্তর করেছে। এখন বিল গেটসের মালিকানায় আছে ৮ কোটি ৭৩ লাখ শেয়ার। একই দিন ২৭ বছরের বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস।

গত সোমবার ওয়াশিংটনের সিয়াটলের কিং কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টে মেলিন্ডা ও বিল গেটসের বিচ্ছেদের আবেদন দায়ের করা হয়। সেখানে মেলিন্ডা জানিয়েছেন, মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে তিনি বিয়ে করেছিলেন, যিনি পৃথিবীর শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন। তাদের সম্পর্কটি অপ্রত্যাশিতভাবে ভেঙে গেছে। তিনি আদালতকে তাদের যৌথ মালিকানার ১৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের সম্পদ ভাগাভাগি করে দিতে বলেন।

বিজ্ঞাপন

বিচ্ছেদ হলে তাদের যৌথ মালিকানার সম্পদের সমান ভাগ হবে। কারণ ওয়াশিংটন রাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী বিচ্ছেদের পর দম্পতিদের মধ্যে সম্পদ সমানভাবে ভাগ করা হয়। তবে আইনজীবীরা বলছেন, আদালত চাইলে পুরোপুরি অর্ধেক করে ভাগ না করে কিছু কম-বেশিও করতে পারেন। বিশ্বের শীর্ষ ধনী নারী ফ্রাংকয়েজ ব্যাটেনকোর্ট মেয়ার্সের সম্পদের পরিমাণ ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। বিচ্ছেদ ও সম্পদ ভাগাভাগির পর মেলিন্ডা বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী নারী হিসেবে পরিচিত হবেন। কারণ তখন তার সম্পদের পরিমাণ হবে ৭ হাজার ৩০০ কোটি ডলার।

এ দম্পতির মোট সম্পদ এসেছে মাইক্রোসফটের অংশীদারিত্ব থেকে। তবে এখন তাদের মোট সম্পদে মাইক্রোসফটের শেয়ার ২৯ শতাংশেরও কম। বেশির ভাগ সম্পদ বিভিন্ন সময়ে তারা গেটস ফাউন্ডেশনে স্থানান্তর করেছেন। ফলে মাইক্রোসফটে বিল গেটসের ঠিক কতটুকু অংশ আছে তা জানা যায়নি।

এছাড়া বিল ও মেলিন্ডা দুজনে মিলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি ভূমির মালিকও। এর মধ্যে রয়েছে ওয়াশিংটনের মেডিনায় অবস্থিত ৬৬ হাজার বর্গফুটের বাড়িও।

বিজ্ঞাপন