চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বাবার শাসনে আর নয়, আদালতের দ্বারস্থ ব্রিটনি স্পিয়ার্স

নিজের অর্থসম্পত্তির উপর বাবার খবরদারি থেকে মুক্তি পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ব্রিটনি

বাবার শাসন কিংবা খবরদারির মধ্যে আর থাকতে আগ্রহী নন যুক্তরাষ্ট্রের তারকা শিল্পী ও অভিনেত্রী ব্রিটনি স্পিয়ার্স। শুধু তাই নয়, নিজের অর্থসম্পত্তির উপর বাবার খবরদারি থেকে মুক্তি পেতে জনপ্রিয় এই তারকা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

২০০৭ সালে স্বামী কেভিন ফেডারলাইনের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদের পর মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন ব্রিটনি। সেসময় মেয়ের ব্যক্তিগত জীবন ও অর্থসম্পত্তি দেখাশোনার জন্য আইনী তত্বাবধায়ক হিসেবে নিযুক্ত হন বাবা জেমি স্পিয়ার্স। প্রায় ১২ বছর ধরে তিনি ব্রিটনি ও তার সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণে নিযুক্ত।

বিজ্ঞাপন

চলতি মাসের ২২ তারিখে জেমির দায়িত্ব শেষ হতে চলেছে। ব্রিটনি জানিয়েছেন, এরপর কোনোভাবেই জেমির দায়িত্বের মেয়াদ বাড়াতে চান না।

বিজ্ঞাপন

জনপ্রিয় এই তারকার এই পদক্ষেপে সমর্থন যুগাচ্ছেন তার অসংখ্য ভক্তরা অনুরাগী। তারা ব্রিটনির ব্যক্তিগত জীবন ও অর্থসম্পদে নিজের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ’‌হ্যাশট্যাগ ফ্রি ব্রিটনি’ আন্দোলন শুরু করেন। এমনকি ব্রিটনির পক্ষে লাখো মানুষের স্বাক্ষরও যোগার করেন। তাদের একটাই দাবি, প্রিয় তারকাকে যে কোনো মূল্যে চাপ মুক্ত রাখা।

লসঅ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়া আদালতে করা ব্রিটনি আপিলের নথিতে তার ব্যক্তিগত জীবনের নিয়ন্ত্রক হিসেবে বাবা জেমির ফিরে আসার বিরোধীতা করে স্টেটমেন্ট দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, তাকে মানসিক রোগী সাজিয়ে অর্থসম্পদ কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্র করেছেন বাবা জেমি।

২০০৮ সালে ব্রিটনির তত্বাবধায়ক নিযুক্ত হলেও গত বছর নিজের শারিরীক অসুস্থতার জন্য দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন জেমি। তখন ব্রিটনির সবকিছু দেখভালে ম্যানেজার নিযুক্ত করা হয় জোডিকে। তবে এখন কিছুটা সুস্থ হওয়ায় জেমি আবার ব্রিটনির বিষয়ে খবরদারি শুরু করেছেন। আর এটাই মেনে নিতে পারছেন না সংগীত ও চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান এই তারকা।