চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বাবাকে ছাড়া কোনো স্পেশাল দিন চিন্তা করতে পারি না: শবনম ফারিয়া

টিভি পর্দার পরিচিত মুখ শবনম ফারিয়া। দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি নির্মাতাদেরও ভরসার জায়গায় রয়েছেন তিনি। তাই তো নাটক আর বিজ্ঞাপনের শুটিং নিয়েই কেটে যাচ্ছে তার বর্তমান সময়। আর ঈদে চ্যানেল আইয়ের পর্দায় দেখা যাবে তার অভিনীত তিনটি নাটক। নাটক এবং নানা বিষয় নিয়ে চ্যানেল আই অনলাইনের সাথে কথা বললেন এই তারকা।
‘না জাগতিক না পুরান’, ‘নিয়তির মুচকি হাসি’, এবং ‘বৈরাগীর গান’ নাটক সম্পর্কে বলুন।
‘না জাগতিক না পুরান’ এ আমি এই প্রথম নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করেছি। একজন রাজনৈতিক নেতার চরিত্র। যার স্বার্থে সবচেয়ে কাছের মানুষকেও খুন করতে কোনো বাধা থাকে না। আর ‘নিয়তির মুচকি হাসি’ আমার ব্যক্তিগত খুবই পছন্দের নাটক। আমার সহশিল্পী ছিল আমারই বন্ধু জোভান ও তৌসিফ। এবং এই প্রথম আফজাল হোসেনের মতো একজন বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে অভিনয় করেছি। চেষ্টা করেছি যতটা সম্ভব ভালো কিছু শেখার। আর ‘বৈরাগীর গান’ নাটকের মধ্যে দর্শক আমাকে একজন টিপিক্যাল গৃহিণী হিসেবে দেখবে।
শুটিংয়ের সময় মজার কোনো ঘটনা আছে কী?
‘নিয়তির মুচকি হাসি’ শুটিংয়ে আমরা থাইল্যান্ডের ‘ব্যান সেন’ নামের  একটা জায়গায় পাহাড়ের উপর শুটিং করছিলাম। ওখানে প্রচুর বানর ছিল। আর আমি তো বানর ভীষণ ভয় পাই। হঠাৎ দেখলাম একটা বানর আমার পিঠের ওপর উঠে আমাকে কামড় দিলো। আমি তো চিৎকার। আর অন্যদিকে দেখি আরেকটা বানর তৌসিফের ব্যাগ নিয়ে যেতে চেয়েছিল।
অনেকের সঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করেছেন। আপনার সঙ্গে কাকে জুটি হিসেবে ভালো মানায় বা কার সঙ্গে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?
আমি সবার সঙ্গেই কাজ করছি। এর মধ্যে তৌসিফ মাহবুব, সিয়াম আহমেদ, জোভান, আফরান নিশো ভাই, অপূর্ব ভাই, নাঈম ভাইয়ের সঙ্গে দর্শক আমাকে বেশি পছন্দ করে। এছাড়া মিশু সাব্বির, ইরফান সাজ্জাদ, ইমন ভাই এদের সঙ্গেও অভিনয় করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।

Advertisement

আপনার অভিনীত নাটকগুলো দেখা হয়?
নাটক দেখার চেষ্টা করি। তবে সবসময় টিভিতে দেখা হয় না। কিন্তু পরে ইউটিউবে দেখে নেই।
‘দেবী’ চলচ্চিত্রের কী খবর?
চলচ্চিত্রের শেষ একটা দৃশ্য আর একটা গানের শুটিং বাকি। আমার বাবা মারা যাওয়ায় শেষ করতে পারিনি। আবার আমার আর ইরেশ যাকেরের শিডিউল মিলছে না। সব মিলিয়ে হয়তো ঈদের পর কাজ শেষ হয়ে যাবে।
ঈদ কোথায় করবেন?
ঢাকাতেই করব ঈদ। এই প্রথম বাবা ছাড়া ঈদ করব আমি আর মা। খুব ভয়ে আছি। বাবাকে ছাড়া কোনো স্পেশাল দিন চিন্তা করতে পারি না। ঈদের পরদিন আমি আর আম্মু রংপুর যাব। ওখানে আমার বড়আপু আছে। সাতদিন বেড়াবো, তারপর ঢাকা এসে আবার কাজ শুরু করবো।
সামনে নিজেকে নিয়ে কী ভাবছেন?
আমার আপাতত একটাই পরিকল্পনা, তাহলো আরও ভালো ভালো কাজ করতে চাই।
লেখা: আসিফ রহমান খান