চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বাংলাদেশে অ্যাকর্ডের কার্যক্রম সমাপ্ত

তৈরি পোশাক কারখানার সংস্কার, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিয়ে তদারকি করা ইউরোপভিত্তিক ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড বাংলাদেশে তাদের সব কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে।

অ্যাকর্ডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এতে জোটটির আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর এইচ খান বলেন, অ্যাকর্ড এর বাংলাদেশ লিয়াজোঁ অফিসের সব কার্যক্রম এবং তাদের সব অ্যাকাউন্টিং রেকর্ডস ৩১ মে থেকে বন্ধ থাকবে।

নির্ধারিত তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে লিয়াজোঁ/প্রতিনিধি অফিস বন্ধের অনুমতির জন্য, অফিস বন্ধের আবেদন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়নের (বিআইডিএ) কাছে জমা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

২০১৩ সালে সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর বাংলা‌দে‌শের পোশাক কারখানার সংস্কার তদারকি শুরু করে আন্তর্জাতিক ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে ইউরোপভিত্তিক জোট অ্যাকর্ড জানিয়েছিল, শর্তসাপেক্ষে এ জোটটি নিরীক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে পোশাক কারখানার মূল্যায়ন কার্যক্রম সমাপ্তি কর‌বে।

ওই‌ দিন বিবৃতিতে জানা‌নে হয়, বাংলাদেশের স্থানীয় আইনের আওতায় পোশাক খাতের সংস্কার কাজের তদারকি হবে বলে একমত হয়েছে সংস্কার তদারকিতে নতুন প্ল্যাটফর্ম আরএমজি সাসটেইনেবল কাউন্সিলের (আরএসসি), অ্যাকর্ড এবং বিজিএমইএ।

জানা গেছে, অ্যাকর্ডের পূর্বঘোষিত মেয়াদ শেষ হয় ২০১৮ সালের জুন মাসে। কিন্তু কারখানার সংস্কার অনগ্রসরতা গতি ও শ্রম অধিকার নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়েই মেয়াদ বৃদ্ধির পরিকল্পনা ঘোষণা করে অ্যাকর্ড। কিন্তু কারখানার মূল্যায়ন কার্যক্রম ও সংস্কারের বিষয় নিয়েই কারখানা মালিকেরা আদালতের দ্বারস্থ হয়।

এরপর আরএসসি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয় অ্যাকর্ড ও বিজিএমইএর মধ্যে। পরে সরকার, অ্যাকর্ড বিজিএমইএ মিলে আরএসসি গঠন করা হয়।

অ্যাকর্ডের এই সমাপ্তির পর আরএসসির যাত্রা শুরু হলো। এখন থেকে কারখানা সংস্কারের যাবতীয় বিষয়ে দেখভাল করবে আরএসসি।