চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বর্ণবৈষম্যের জেরে নিষেধাজ্ঞার মুখে বুলগেরিয়া

প্রাক-ইউরো কাপের ম্যাচে কলঙ্ক। ম্যাচের কয়েকঘণ্টার মধ্যে বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দাবি মেনে পদত্যাগ করেছেন সেদেশের ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান। তারপর পুলিশ হানা দিয়েছে ফেডারেশনের অফিসে।

হিস্টো স্টোইচকভের দেশে এই আচরণ নিন্দার কেন্দ্রে। বুলগেরিয়া দলের কোচ ক্রাসিমির বালাকভও ছিলেন স্টোইচকভদের ১৯৯৪ বিশ্বকাপ দলে, যারা সেবার চতুর্থ হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ড হাফজডন গোলে জিতলেও বিতর্ক তাড়া করে ফুটবল বিশ্বকে। বর্ণবৈষম্যের কারণে বুলগেরিয়ার মাঠে ম্যাচ থামে দু’বার। দর্শক গ্যালারির একাংশ থেকে ক্রমাগত বর্ণবৈষম্যমূলক চিৎকার শুনে রেফারি খেলা বন্ধ করে দেন। ঘটনাটি আর ফুটবল মাঠে সীমাবদ্ধ থাকেনি, দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীও জড়িয়ে গেছেন।

দর্শকদের টার্গেট ছিল ইংল্যান্ডের কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলাররা। শুরু হয়েছিল টাইরন মিংসকে ঘিরে। সোমবারের ম্যাচে ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে তার অভিষেক হয়েছিল। তারপরে রাহিম স্টার্লিং।

বিজ্ঞাপন

দু’বার খেলা বন্ধের পর বুলগেরিয়ার অধিনায়ক ইভিলিন পোপভকে দর্শকদের কাছে গিয়ে হাতজোড় করতেও দেখা যায়, দর্শকদের এমন হীন আচরণ বন্ধ করতে। কিন্তু লাভ কিছু হয়নি। বুলগেরিয়া নিজেদের মাঠেই খেলা থেকে হারিয়ে যায়। গোলের পর গোল করে যান কেন-স্টার্লিংরা।

কিন্তু ম্যাচ শেষ হয়ে গেলেও উয়েফা ঘটনার তদন্ত করতে নেমেছে। রেফারি রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে। সাসপেনশনের হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে বুলগেরিয়া। পুরো ঘটনায় ক্ষুব্ধ সেদেশের প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভ নির্দেশ দিয়েছেন ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্টকে পদত্যাগ করতে। সেই নির্দেশ মেনে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।

তবে বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও রেগে গেছেন মাঠে দর্শকদের মধ্যে কেউ কেউ যে নাৎসি স্যালুট করেছেন তা দেখে। সেই ছবি ভাইরাল হয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ঘটনার নিন্দা করার পাশাপাশি উয়েফাকে অনুরোধ করেছেন পুরো ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে দেখতে।

Bellow Post-Green View