চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পদক্ষেপ কী?

করোনাভাইরাস ও ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পর এখন দেশের অন্যতম শঙ্কার নাম বন্যা পরিস্থিতি। দিনের পর দিন বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিপৎসীমার ওপর দিয়েও প্রবাহিত হচ্ছে।

চ্যানেল আই অনলাইনের প্রতিবেদনে জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, উত্তরাঞ্চলের তিস্তা-ধরলা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও ভারত আবহাওয়া অধিদফতরের গাণিতিক আবহাওয়া মডেলের তথ্যানুযায়ী আগামী ৭২ ঘণ্টা দেশের উত্তরাঞ্চলের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং তৎসংলগ্ন ভারতের আসাম, মেঘালয়, হিমালয় পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার প্রদেশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে এই সময়ে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তিস্তা ও ধরলা নদীসমূহের পানি সমতল আগামী ৭২ ঘণ্টায় সময় বিশেষে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি সমতল বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

এর আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় বন্যা পরিস্থিতির শিকার লাখ লাখ মানুষ। কিছু ক্ষেত্রে সহায়তামূলক কার্যক্রম দেখা গেলেও তা প্রয়োজেনর তুলনায় খুবই নগন্য। এজন্য বন্যার শিকার মানুষেরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমন প্রেক্ষাপটে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর আরও অগ্রণী ভূমিকা জরুরি।

একে তো করোনাভাইরাস, তার ওপর ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা দিন দিন জনজীবন বিষিয়ে তুলছে। আম্পান পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বেশিরভাগই কোন ধরনের সহায়তা, পুনর্বাসন কর্মসূচি ও টেকসই সমাধানের আওতায় আসেননি বলে গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বন্যা যেন মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ। বন্যার শিকার হওয়ার শঙ্কায় থাকা এলাকাসমূহের পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।