চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বন্ধু আগুয়েরোর জন্য মনের দুয়ার খুলে দিলেন মেসি

দুজনের বন্ধুত্বের কত না গল্প ছড়িয়ে ছিটিয়ে। জাতীয় দলে খেলার পুরোটা সময় দুজনে ভাগাভাগি করেছেন একই হোটেল কক্ষ। আর্জেন্টিনা তো বটেই, দুজনে ক্লাবেও একসঙ্গে খেলবেন বলে ম্যানসিটি ছেড়ে এসে সার্জিও আগুয়েরো দেখলেন লিওনেল মেসি পিএসজির পথে। সেই আলাদা হওয়া পথটা আর এক হল না দুবন্ধুর। আগুয়েরো ভেজা চোখে বিদায় বলে দিয়েছেন সবধরনের ফুটবলকে। ৩৩ বছরেরই বন্ধুর অকাল অবসর ছুঁয়ে গেছে মেসিকেও।

‘আমরা একসাথে অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছি, যা অন্যদের সঙ্গে ততটা নয়। একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো আমাদের আরও বেশি ঘনিষ্ঠ করেছে, বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে। এখন আমরা মাঠের বাইরে একসঙ্গে থাকতে যাচ্ছি।’ ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছেন মেসি।

Reneta June

হৃদরোগে আক্রান্তের জেরে ১৮ বছরের ক্যারিয়ারের ইতি টেনে বুধবার অবসরের ঘোষণা দেন আগুয়েরো। বন্ধুর এমন আকস্মিক বিদায় আর সবার মতো মেসিকে করে তুলেছে আবেগাক্রান্ত। আর্জেন্টাইন সদ্যসাবেক সতীর্থ ফরোয়ার্ডের জন্য মনের দুয়ার খুলে দিতে তাই কার্পণ্য নেই আলবিসেলেস্তেদের অধিনায়কের।

বিজ্ঞাপন

‘ইংল্যান্ডে (ম্যানসিটি) তোমার অসংখ্য অর্জনের সঙ্গে অল্প কিছুদিন আগেই আমরা কোপা আমেরিকা জয়ের পর মহাআনন্দে মেতেছিলাম। সত্য এটাই যে, তুমি নিজের ভালোবাসার জিনিসটি ছাড়তে চলেছ, যা দেখাটা অনেক বড় বেদনার।’

‘অবশ্যই তুমি সুখে থাকবে, কারণ তুমি এমন একজন মানুষ যে সকলকে সুখী রাখতে চায়। আমরা যারা তোমাকে ভালোবাসি, তারা তোমার সঙ্গে সবসময় থাকব। এখন তোমার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে। আমি নিশ্চিত তোমার ভেতরে আবেগ ভরা থাকলেও তুমি নতুন জীবনকে হাসিমুখে বরণ করবে।’

‘নতুন অধ্যায়ের জন্য শুভ কামনা। বন্ধু, আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি। মাঠে এবং জাতীয় দলে আমি তোমাকে ভীষণভাবে মিস করব।’

গত অক্টোবর থেকে আগুয়েরোর হার্টের সমস্যা গুরুতর আকার ধারণ করেছে। ওই মাসের ৩০ তারিখে দেপোর্তিভো আলাভেসের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন হৃদযন্ত্রে ব্যথা অনুভব করেন। একসময় মাঠেই শুয়ে পড়েছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর মাঠ থেকে তুলে নেয়া হয়। নিতে হয় হাসপাতালে। সেই থেকে হার্টের সমস্যা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার জেরে ছাড়তে হল ফুটবলই।