চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘বঙ্গবন্ধু: স্মৃতিতে অবিনশ্বর’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘বঙ্গবন্ধু: স্মৃতিতে অবিনশ্বর’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও স্থিরচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান।

বিজ্ঞাপন

শামসুজ্জামান খান বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালির হাজার বছরের স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করেছেন। এ কারণে তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালির সম্মান অর্জন করেছেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, অসাধারণ প্রতিভা ও বিশাল ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন বলেই তিনি বঙ্গবন্ধু। তিনি রাজনীতি ও সরকার পরিচালনার পাশাপাশি ৫টি গ্রন্থও রচনা করেছেন। ইতোমধ্যে তাঁর ৩টি গ্রন্থ মুদ্রিত হয়েছে। অবশিষ্ট ২টি গ্রন্থ পাণ্ডুলিপি আকারে আছে, শিগগিরই ছাপার কাজ শুরু হবে।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুকে বাঙালির মনে পড়ে। বাঙালি বঙ্গবন্ধুকে মনে করে। বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের জন্য তাঁকে মনে করতেই হবে। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তাঁর কীর্তির জন্যই বাঙালির মনে সাহসের প্রতীক হয়ে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

উপাচার্য আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে ঘাতকের দল বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছে। ঘাতকের হত্যার নিশানা আগস্টে ঘুরে বেড়ায়। বঙ্গবন্ধুর বেঁচে যাওয়া দুই কন্যার একজন শেখ হাসিনাকে এই আগস্টেই হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘাতকের নিশানা থেকে রক্ষার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন কলামিস্ট মোনায়েম সরকার, প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক ফাউন্ডেশনের কর্ণধার অ্যাডভোকেট আফিয়া বেগম।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে উপাচার্য ধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক ফাউন্ডেশন আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর স্থিরচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন এবং ঘুরে দেখেন।