চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু সেতুতে যানবাহন পারাপারে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে রেকর্ড পরিমাণ যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে সেতুটি টোল আদায় ও যানবাহন পারাপারে পূর্বের সকল ভঙ্গ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের সহকারি প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান বাপ্পি বলেন, বুধবার সকাল ৬ টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক ৫২ হাজার ৭ শ ৫৩ টি যানবাহ পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ১৮ হাজার ২৪০ টাকা। যা অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এর আগের বছর অথাৎ ২০২০ সালে ঈদুল আযহাতে যানবাহন পারাপারের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল প্রায় ৪৯ হাজার যানবাহন ও টাকার অংকে ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

বিজ্ঞাপন

তবে এছর কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে গেল এক সপ্তাহে প্রায় দিনই যানবাহন পারাপারে আগের রেকর্ড ভঙ্গ হচ্ছিল। যা গত মঙ্গলবার সকাল ৫টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ছিল সর্বোচ্চ ৫১ হাজার ৯শ ৪২টি যানবাহন আর টোল আদায় হয় ২ কোটি ৭৬ লাখ ৮ হাজার ৩০ টাকা। তবে তা অতীতের টোল আদায় রেকর্ড ভঙ্গ করতে পারেনি।

তিনি আরও জানান, বিপুলসংখ্যক ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করায় যানবাহন পারাপারে অতীতের রেকর্ড ভঙ্গ হলেও আর গতকাল ছোট ছোট যানবাহনের সাথে দূরপাল্লার বাস পারাপার হওয়ায় টাকার আদায়ের রেকর্ডও ভঙ্গ করলো।

সাতটি শ্রেণীতে টোল আদায় করা হয়ে থাকে। এতে মোটরসাইকেল সর্বনিম্ন টোল ফি ৪০ টাকা, প্রাইভেটকার, পিকআপ, মাইক্রোবাস ৫০০ টাকা, ছোট বাস ২৯ সিট পর্যন্ত ৬৫০ টাকা, বড় বাস ৩১ বাস থেকে তার অধিক ৯০০ টাকা, ছোট ট্রাক পাঁচ টনের নীচে ওজন ৮৫০ টাকা, পাঁচ থেকে আট টনের নীচে ট্রাক ১১ শ টাকা এবং ৮ টনের অধিক ওজনের হলে ১৪০০ টাকা টোল আদায় করা হয়ে থাকে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গমুখী যাবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে। কোথাও ধীরগতি বা জট নেই। ফলে ঘরমুখো মানুষ আজ অনেকটা স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরতে পারছেন।

অপরদিকে মহাসকে ট্রাক, মাইক্রোবাস, পিকআপভ্যানসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি আজ দূরপাল্লার বাসও চলাচল করছে।

গত কয়েকদিন মানুষ গাদাগাদি করে চলাচল করলেও আজ গাড়িগুলো যাচ্ছে অনেকটাই ফাঁকা।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, ‘মহাসড়কে আজ চাপ নেই। স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে।’

বিজ্ঞাপন