মানবতাবিরোধী অপরাধে সর্বোচ্চ দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকরের নির্বাহী আদেশ কারাগারে পৌঁছেছে। মীর কাসেম রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন না- শুক্রবার এমন সিদ্ধান্ত জানালে ফাঁসি কার্যকরের সব প্রস্তুতি শুরু করে কারা কর্তৃপক্ষ। আনুষ্ঠানিকতা শেষে অপেক্ষা ছিলো কেবল নির্বাহী আদেশের।
মীর কাসেমের সঙ্গে দেখা করতে তার পরিবারের ৪৫ জন সদস্য কাশিমপুর কারাগারে গেছেন। তাদের মধ্যে কারা কর্তৃপক্ষ ৩৮ জনকে দেখা করার অনুমতি দেন।
কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিন আহমেদকে নির্যাতনের পর খুনের দায়ে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলানোর রায় দেন ট্রাইব্যুনাল।
ফাঁসির রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে মীর কাসেমের রিভিউ আবেদন খারিজ করে৩০ আগস্ট এ রায় ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।







