চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পয়েন্ট হারিয়ে হতাশ বাংলাদেশ কোচ

ব্রিস্টল থেকে: আবহাওয়ার পূর্বাভাস যেমন ছিল, বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের দিনটা থাকল ঠিক তেমনই। সারাদিনই ঝরল গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। তীব্র ঠাণ্ডা আর ঝড়ো বাতাস। ব্রিস্টলের কাউন্টি গ্রাউন্ডের প্রেসবক্সে বসে যখন এই প্রতিবেদন লিখছি, তখনও থামেনি বেরসিক বৃষ্টি।

স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় স্পিকারে জানিয়ে দেয়া হল ম্যাচটি পরিত্যক্ত। পয়েন্ট ভাগাভাগির ব্যাপারটি অনুমেয় হলেও তা মেনে নেয়া সহজ ছিল না দর্শকদের জন্য।

বিজ্ঞাপন

ব্যাট-বল নিয়ে মাঠে যাদের নামা হল না, সেই বাংলাদেশ দল স্টেডিয়ামে আসে দুপুরে। শিডিউল লাঞ্চ সেরেই তাদের ফিরে যেতে হয় টিম হোটেলে। আগামী ১৭ জুন বাংলাদেশের পরের ম্যাচের ভেন্যু টন্টন। ডু-অর-ডাই ম্যাচে মাশরাফী-সাকিবদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বাংলাদেশি সমর্থকদের সঙ্গে স্টিভ রোডস

বিজ্ঞাপন

ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ায় টাইগারদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখা যে কঠিন হয়ে গেল সেটি কারও অজানা নয়। স্টেডিয়ামের মাঠকর্মীকে একজন বাংলাদেশি সমর্থক তো বলেই বসলেন, ‘তোমরা চাইলে আমাদের সাহায্য নিতে পারো, আমরা সবাই মিলে মাঠ শুকিয়ে দেব। ম্যাচটা হোক আমরা চাই, একটা পয়েন্ট হারালে আমাদের সেমিফাইনালে ওঠার কঠিন হয়ে যাবে।’

এমন কথা শুনে মুচকি হাসা ছাড়া উপায় ছিল না ব্রিটিশ মাঠকর্মীদের। বৃষ্টি থামলে তবেই না মাঠ শুকানোর প্রশ্ন!

ম্যাচটা হোক হৃদয় থেকেই চেয়েছিল বাংলাদেশ দল ও সমর্থকরা। সংবাদ সম্মেলনে টাইগার কোচ স্টিভ রোডসও লুকাতে পারেননি হতাশা। মাইক্রোফোনের সামনে বারবার ছেড়েছেন দীর্ঘশ্বাস।

‘খুবই হতাশার, খেলাটা হল না। আমরা লক্ষ্য পূরণ করতে পারলাম না। আমাদের লক্ষ্য ছিল ২ পয়েন্ট পাওয়ার। বৃষ্টির উপর তো কারও হাত নেই। এখন আমাদের পরের ম্যাচগুলো জিতে টিকে থাকতে হবে।’

ব্রিস্টল সময় সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ। আবহাওয়ার অবস্থা দেখে একটু বেলা করেই দর্শকরা মাঠে আসেন। অনেকেই আশায় বুক বাধেন, দুপুরের পরও যদি বৃষ্টি থামে, আর ২০ ওভার করে হলেও যদি ম্যাচটা হয়। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির কাছে অসহায় হয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে সকলকে।

Bellow Post-Green View