চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রেক্ষাগৃহে হাউজফুল ‘হাসিনা’

দেশের চারটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ডকু-ড্রামা ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’

শুক্রবার দেশের চারটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল বহুল প্রতীক্ষিত ডকু-ড্রামা ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’। পিপলু খানের পরিচালনায় ছবিটি ইতিমধ্যে ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিনত হয়েছে। কিন্তু প্রেক্ষাগৃহে কেমন চলছে শেখ হাসিনার উপর নির্মিত এই ডকু-ফিকশনটি? তা জানার চেষ্টা করেছে চ্যানেল আই অনলাইন।

বৃহস্পতিবার প্রিমিয়ার হওয়ার পরই আলোচনার তুঙ্গে ‘হাসিনা’। বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর নির্মিত ডকু-ড্রামা ‘হাসিনা-অ্যা ডটারস টেল’ দেখতে এদিন বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে হাজির ছিলেন এমপি, মন্ত্রী ও রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনেমা নির্মাতাসহ ছোট ও বড় পর্দার অভিনেতা অভিনেত্রীরাও। ঠিক তার পরদিন ছবিটি সর্ব সাধারণের জন্য মুক্তি দেয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

আর মুক্তির প্রথম দিনেই হাউজফুল হাসিনার গল্প নিয়ে নির্মিত ডকু-ফিকশনটি। রাজধানীতে ছবিটি চলছে বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্স, যমুনা ব্লকবাস্টার ও মধুমিতা সিনেমা হলে। ঢাকার বাইরে ছবিটি মুক্তি দেয়া হয়েছে চট্টগ্রামে নবনির্মিত মিনিপ্লেক্সে। মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করে শত শত মানুষ। এমনটাই জানালেন হল কর্তৃপক্ষ।

রাজধানীর মতিঝিলের পাশে ঐতিহ্যবাহী মধুমিতা সিনেমা হলে চলছে ‘হাসিনা’। মুক্তির প্রথম দিনে ছবিটি দেখতে কেমন দর্শকের আনাগোনা ছিলো? জানতে চাইলে মধুমিতা হলের কর্ণধার ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, আমরা প্রতিদিন চারটি শো দেখাচ্ছি। সকাল ১১টায় বিকাল ৩টায়, সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫মিনিট ও রাত ৮টায়। প্রথম দিনে প্রায় সবগুলো শো ছিলো হাউজফুল। বিশেষ করে সন্ধ্যার শো দেখতে আমাদের হল ছিলো কানায় কানায় পূর্ণ। আমাদের হলে সিট হচ্ছে ১৩’শর অধিক।

সাধারণত সিনেমা হলে চলে কাহিনী নির্ভর সিনেমা। কিন্তু ‘হাসিনা’ ডকু-ফিকশন হওয়া সত্ত্বেও ছবিটি নিয়ে দর্শকের এমন আগ্রহে রীতিমত উচ্ছ্বসিত মধুমিতার মালিক ও সেন্সর বোর্ডের এই সদস্য। তিনি বলেন, সিনেমা হলে ডকু-ফিকশন কখনো মুক্তির কল্পনায় নেই কারো, সেই জায়গায় হাসিনা মুক্তি পাওয়ার পর ছবিটি হাউজফুল যাচ্ছে, এমন ঘটনায় সত্যিই আমরা প্লিজড!

মুক্তির দিন ছাড়াও শনিবার সকাল ১১টার শোতেও প্রচুর দর্শক ‘হাসিনা’ দেখতে এসেছেন বলেও জানান ইফতেখার।

এদিকে বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সেও একই অবস্থা। মুক্তির প্রথম দিনে সবগুলো শো হাউজফুল ছিলো বলে জানান সিনেপ্লেক্সের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিন ৫টি করে শো দেখাচ্ছি ‘হাসিনা’র। প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। প্রতিটি শো-ই ছিলো হাউজফুল। এমনকি হাসিনার গল্প দেখতে আমাদের অগ্রীম টিকেটও শেষের পথে।

সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমত ভাইরাল হয় ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’-এর ট্রেলার! দুই মিনিট ৪৮ সেকেন্ড ব্যাপ্তির ট্রেলারটি চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট মানুষ থেকে শুরু করে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও রাজনীতিকরাও তাদের টুইটার, ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন! সেদিন থেকেই চলচ্চিত্রটির জন্য দিন গুণছিলেন সবাই।

এদিকে ‘হাসিনা’ মুক্তির পর প্রশংসায় ভাসছে সোশাল মিডিয়া। এমন একটি কাজের প্রয়োজন ছিলো যা ঠিকঠাক করতে পেরেছেন নির্মাতা পিপলু, এমনটাই বলছেন সবাই।

পিপলু খানের পরিচালনায় ‘হাসিনা’ ডকু-ফিকশনের কাহিনী গড়ে উঠেছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনের দুঃখ-বিষাদ, ব্যক্তিগত আখ্যান, আর নৈকট্যের গল্পগুলো নিয়ে। যদিও নির্মাতা বলছেন, এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বায়োপিক নয়, বরং এটা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার গল্প এবং তার বোন শেখ রেহানার গল্প।

Bellow Post-Green View