চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রধান বিচারপতির সাথে দেখা করে যা বললেন আইনমন্ত্রী

কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে সে বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপের বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, কোনো সমস্যা যদি হয়, তাহলে রাষ্ট্রপতির কাছে কোনো না কোনো নালিশ পাঠানো যেতে পারে। তার যথেষ্ট ক্ষমতা আছে। 

‘‘তাছাড়া সংবিধানের মধ্যে থেকেই তিনি বিবেচনা করতে পারেন। সেটা তার বিবেচ্য বিষয়। ষোড়শ সংশোধনীর ব্যাপারে যে শূন্যতা, সে শূন্যতার কারণে কোনো কিছুই মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো যাবে না, এটা ঠিক না।”

বিজ্ঞাপন

সোমবার প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় আইনমন্ত্রী আরো বলেন, বিচারাধীন বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ সম্বলিত সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ‘ভুল বোঝাবুঝির’ সৃষ্টি হয়ে থাকলে খুব শিগগিরই তার ব্যাখ্যা সুপ্রিম কোর্ট দিবেন বলে মনে করি। প্রধান বিচরপতি বলেছেন, কিছুটা যদি ভুল বোঝাবুঝি হয়েও থাকে ব্যপারটায়, তাদের বিবেচনায় আছে।’

বিজ্ঞাপন

সুপ্রিম কোর্ট-নির্বাচনএর আগে গত ১৬ মে বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিচারাধীন বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করে একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় হয়।  সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো: গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়: ‘ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া তাদের চ্যানেলে এবং কোনো কোনো প্রিন্ট মিডিয়া তাদের পত্রিকায় বিচারাধীন মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন, স্ক্রল করছে, যা একেবারেই অনভিপ্রেত।

এমতাবস্থায়, বিচারাধীন কোন বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন/স্ক্রল করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের অনুরোধ সম্বলিত এ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে এদিন সন্ধ্যায় প্রধান বিচারপতি বরাবর একটি চিঠি দেয় সুপ্রিম কোর্ট বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকরা ব্যথিত ও মর্মাহত বলে উল্লেখ করে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের চিঠিতে বলা হয় ওই বিজ্ঞপ্তিটি স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী।

পরবর্তীতে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিও (ডিআরইউ) এই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আলাদা আলাদা বিবৃতি দেয়।

Bellow Post-Green View