চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীকে বাসসকপ’র স্মারকলিপি

বাংলাদেশে সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদ (বাসসকপ) অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট বৃহস্পতিবার স্মারকলিপি প্রদান করেছে। দাবি অনাদায়ে মহাসমাবেশের মাধ্যমে লাগাতার কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে ৫ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মহাপরিচালক (প্রশাসন) জনাব কবীর বিন আনোয়ার তা গ্রহণ করেন ।

প্রতিনিধি দলটিতে ছিলেন, বাসসকপের মহাসচিব মোঃ জিন্নাত আলী বিশ্বাস, সভাপতি মোঃ শফিউল আজম, প্রকৌশলী মামুনুর রশীদ, কৃষিবিদ ড. প্রিন্স সহ ৭ জন।

এর আগে সকাল ১১টায় ৩৭টি ননক্যাডার দপ্তরের নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তাগণ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমবেত হন। সেখানে নতুন বেতন কাঠামোতে ননক্যাডার কর্মকর্তাদের উপর বিভিন্ন বৈষম্য আরোপকে ‘দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের অংশ’ মন্তব্য করে বক্তারা বলেন, সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা একটি গ্রুপ সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

এসময় বক্তাগণ আশা প্রকাশ করে বলেন, সারা বাংলাদেশের প্রায় এক লক্ষাধিক প্রথম শ্রেণির ননক্যাডার কর্মকর্তাদের যৌক্তিক দাবীসমূহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবশ্যই সমাধান হবে। অন্যথায় আগামি ৯ জানুয়ারী তারিখে ঢাকায় মহাসমাবেশের মাধ্যমে লাগাতার কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।

বাংলাদেশের সকল ননক্যাডার কর্মকর্তাদের জাতীয় পেশাজীবী সংগঠনটির পাঁচ দফা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে (১) ক্যাডার ও ননক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রারম্ভিক বেতন বৈষম্য দূরীকরণ তথা ৮ম ও ৯ম গ্রেড প্রদানের সিদ্ধান্ত বাতিল করে অভিন্ন ৮ম গ্রেড প্রদান, (২) সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল পূর্বের ন্যায় বহাল রাখা, (৩) সকল ননক্যাডার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে সমগ্র চাকরি জীবনে কমপক্ষে ৪টি উচ্চতর বেতন ধাপ পরিবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি, (৪) উপজেলা পরিষদের ক্ষমতায়নের নামে ইউএনও’র কর্তৃত্ব সৃষ্টির অফিস স্মারক বাতিল করা, (৫) নিজস্ব সার্ভিস/বিভাগ বহির্ভূত সকল ধরণের প্রেষণ প্রথা বাতিল করে স্ব স্ব বিভাগীয় দক্ষ-পেশাদার কর্মকর্তাদের পদোন্নতির মাধ্যমে সর্বোচ্চ পদ পূরণ করা, গৃহ নিমার্ণ লোন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা করা।