চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রদর্শনীতে মনরোর দুষ্প্রাপ্য ছবি

পৃথিবী ছেড়েছেন অনেক বছর কিন্তু মানুষের মন থেকে বিন্দুমাত্র সরেননি তিনি। মেরিলিন মনরো বলতেই এখনো চোখে ভাসে সেই উড়ে চলা সাদা ফ্রক গায়ে অনাবিল হাসি।

মেরিলিন মনরোকে নতুন করে পাবার কিছু নেই। তিনি হারিয়ে গেছেন অনেক আগেই। কিন্তু সেই সময়েরই কিছু দুষ্প্রাপ্য ছবি দিয়ে এখন আবার সবার সামনে আসছেন মেরিলিন। ফ্যাশন ও সেলিব্রেটি ফটোগ্রাফার মিল্টন এইচ গ্রিনির কাছেই সংরক্ষিত ছিলো এসব ছবি। হারপার’স বাজার এবং ভোগের মতো ম্যাগাজিনে কাজ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার থেকেই পোল্যান্ডের রোকলাউতে এই প্রদর্শনী চলছে কিন্তু জনসাধারণের জন্য সেটা উন্মুক্ত হবে জুলাইতে। ‘গুড ডে মেরিলিন’ নামের এই প্রদর্শনীটিতে মেরিলিনের দুষ্প্রাপ্য প্রায় ৪৭টি ছবি দেখতে পাবেন ভক্তরা। হলিউডি এই তারকার অদেখা বেশ কিছু ছবি দেখা যাবে সেই প্রদর্শনীতে।

গত বছর পোল্যান্ডে একটা নিলাম থেকে মিল্টন গ্রিনি ১.৬৯ মিলিয়ন ডলার আয় করেন। আর এবারও যে এই প্রদর্শনী আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে তা আর বলতে! এবারের প্রদর্শনীতে প্রায় ৩০০০ টি প্রিন্ট ছবি থাকবে। অভিনেত্রী অন্দ্রে হেপবার্ন, গ্রেস কেরি, জুডি গারল্যান্ড এবং মারলিন ডায়েট্রিচের ছবিও থাকেছে সেখানে।

Advertisement

প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া বেশিরভাগ ছবিই সিনেমার সেট, থিয়েটার, ম্যাগাজিন ফটোশুট বা ব্যক্তিগতভাবে তোলা হয়েছে।

প্রদর্শনীর তত্ত্বাবধায়ক মারেক স্ট্যানিয়েলেউইকজ বলেন, প্রদর্শনীর মধ্যে দিয়ে হাঁটতে গেলেই আপনি এক অন্য মেরিলিন মনরোকে পাবেন। কারণ এসব কেবল এক অভিনেত্রীর ছবিই নয় বরং তার এক ব্যক্তিসত্ত্বারও ছবি।

কিছু ছবি পোজ দেওয়া, কিছু বিশেষ সময়ের। প্রদর্শনী কেবল মেরিলিনকে একজন অভিনেত্রী বা সেক্স সিম্বল হিসেবেই নয় বরং একজন মানুষ ও মেয়ে হিসেবেও তুলে ধরবে, যোগ করেন তিনি।

একটা ফটোশুটের পরই গ্রিনি ও মনরোর বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। পরে তারা একসাথে একটা প্রোডাকশন কোম্পানি তৈরি করে এবং এব মনরো ফটোগ্রাফার ও তার পরিবারের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠে। তখনই এই ছবিগুলো তোলেন গ্রিনি। গ্রিনি ১৯৮৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন।