চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

প্রথম দেখায় সত্যার্থীকে বেরিয়ে যেতে বলেছিলেন স্ত্রী সুমেধা

নোবেল বিজয়ী স্বামী, একসময়ের  প্রকৌশলী- সাংবাদিক। সব ছাপিয়ে বড় পরিচয় শিশু অধিকার কর্মী। এমন বিশ্বখ্যাত মানুষ, কিন্তু প্রথম দেখায় তাকে ‘বের হয়ে যাও’ পর্যন্ত বলেছিলেন সুমেধা সত্যার্থী।

চ্যানেল আই পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় সত্যার্থী হাটে হাঁড়ি ভেঙ্গে জানান, তিনি অবশ্য তার হবু স্ত্রী সুমেধা’র ছবি দেখেই তার বাবার পত্রিকা অফিসে গিয়েছিলে।

বিজ্ঞাপন

কারণ ‘বাবার পত্রিকায় লেখালেখি করা মেয়েটি ওয়াজ অ্যা বিউটিফুল গার্ল।’

গল্পটি বলার সময় কৈলাস সত্যার্থীর পাশে তার স্ত্রী সুমেধা সত্যার্থীও ছিলেন। মিটিমিটি হাসছিলেন তিনি।

চ্যানেল আই নিউজ ম্যানেজমেন্ট টিমের সাথে আলাপকালে নিজের জীবন এবং কাজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে প্রকৌশলী থেকে সাংবাদিক এবং সাংবাদিক থেকে শিশু অধিকার কর্মী হওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন সত্যার্থী।

বিজ্ঞাপন

সেসময় পাশে বসে থাকা স্ত্রী সুমেধার দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে তিনি তাদের মধ্যে প্রথম সাক্ষাতসহ প্রেম, বিয়ে এবং সংসার জীবনের গল্পও শোনান।

সত্যার্থী জানান, পরে শ্বশুর হওয়া সম্পাদকের পত্রিকায় তিনি ডাকে পাঠিয়ে সিরিয়াস বিষয়ে লেখালেখি করতেন। প্রথম যেদিন তিনি ওই পত্রিকা অফিসে গিয়ে তার পরিচয় দেন, তখন কেউ বিশ্বাস করতে চান নি। কারণ তাদের ধারণা ছিলো কৈলাস সত্যার্থী নামের লেখকটির বয়স ৬০/৭০ হবে। অথচ তারা দেখতে পান, সামনে দাঁড়িয়ে ২২ বছরের এক ‘বালক’।

এ কারণে সুমেধা, পরে স্ত্রী হওয়া ‘বালিকাটি’ তাকে ‘বের হয়ে যাও’ পর্যন্ত বলেছিলেন বলে জানান শান্তিতে নোবেল জয়ী।

সত্যার্থী কথা বলার সময় ইমপ্রেস টেলিফিল্ম চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ তার পাশে ছিলেন।

চ্যানেল আইয়ের এডিটর, নিউজ অ্যান্ড কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স সাইফুল আমিন এবং চ্যানেল আই অনলাইনের এডিটর জাহিদ নেওয়াজ খানসহ অন্যরাও প্রাণবন্ত ওই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।

Bellow Post-Green View