চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘প্রতিষ্ঠিত খলনায়ক’ হতে চান রাশেদ অপু

নাটকে একযুগের ক্যারিয়ার রাশেদ অপুর। সবমিলিয়ে চার শতাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে গেল দুই বছর অপুর মনোযোগ সিনেমাতে। ইতোমধ্যে ডজন খানেক সিনেমা শেষ করেছেন যেগুলো মুক্তির অপেক্ষায়। এই অভিনেতা জানালেন, সিনেমায় কাজের শুরুতে বলেছিলান নেগেটিভ চরিত্র করবেন। এ কারণে সবগুলো সিনেমাতে তিনি খলনায়ক হন!

চলতি বছরটা রাশেদ অপুর জন্য অনেকটাই আশীর্বাদস্বরূপ। ‘নবাব এলএলবি’র পর তিনি নেতিবাচক অভিনয় ক্যারিশমা দেখিয়েছিলেন রায়হান রাফী ‘জানোয়ার’ ওয়েব ফিল্মে। কাজটি তাকে আলোচনায় আনে। পরে একের পর এক সিনেমায় খলনায়ক হচ্ছেন রাশেদ অপু। সোমবার যুক্ত হলেন সাইফ চন্দনের পরিচালনায় ‘কয়লা’তে। সেখানেও ভিলেন অপু।

কেন খলনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে চাইছেন জানতে চাইলে অপু চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, আমি নেগেটিভ চরিত্রে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এখানে অভিনয়ের জায়গা বেশী। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির অবস্থানে এখানে হিরো হতে পারবো না। ক্যারেক্টর আর্টিস্টদের তেমন কিছু করার থাকে না। প্রভাব থাকে নায়ক নায়িকা এবং খলনায়কের। এজন্য খলনায়ক হতে চেয়েছি।

 

বিজ্ঞাপন

২০১৮ সালে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ ছবির মাধ্যমে আবার বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন অপু। তার হাতে থাকা সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে অনন্য মামুনের ‘অমানুষ’ সানী সানোয়ার ও ফয়সাল আহমেদের ‘মিশন এক্সট্রিম’, সৈকত নাসিরের ‘বর্ডার’, মীর সাব্বিরের ‘রাত জাগা ফুল’, রায়হান রাফীর ‘পরাণ’, ‘দামাল’, ইফতেখার চৌধুরীর ‘মুক্তি’।

চলতি মাসেই শুরু করছেন ‘কয়লা’। বললেন, পরিচালক আমাকে তার অফিসে ডেকে গল্প শোনালেন। বুঝলাম চরিত্রে অনেকগুলো চেইঞ্জ রয়েছে। পরে প্রধান খল চরিত্র হিসেবে যুক্ত হলাম। যেসব সিনেমায় আমার চরিত্রে ভ্যালু খুঁজে পাই না, সেগুলো করি না। জানোয়ার, কসাই সিনেমা দুটি মুক্তির পর খলনায়ক হিসেবে মানুষের অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি।

রাশেদ অপু বলেন, নাটক ফিল্ম অভিনয় আমার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় জায়গা। তবে ফিল্মের ক্ষেত্রে খুব বুঝে শুনে কাজ করছি। আমার চেষ্টা, সততা ও মেধা দিয়ে ধীরে ধীরে সামনে আগানোর চেষ্টা করছি। তাড়াহুড়ো ছাড়াই উপভোগ করে কাজ করছি।

বিজ্ঞাপন