চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পুলিশের ভূমিকা সরকারের কেন্দ্রীয় কৌশলের অংশ: ড. কামাল

জনগণ অবাধে ভোট দিতে পারলে পরিবর্তন আসবে

সারাদেশে পুলিশ যেভাবে ধরপাকড় ও গ্রেপ্তার করছে তাকে সরকারের কেন্দ্রীয় কৌশলের অংশ বলে অভিযোগ করেছেন ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন।

বুধবার গুলশানের এক অভিজাত হোটেলে কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে ঐক্যফ্রন্ট। এসময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. কামাল এমন অভিযোগ করেন৷

বিজ্ঞাপন

ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মানুষ খুব আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে৷ তারা শতভাগ অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। কারণ তারা পরিবর্তন চায়। কিন্ত আমরা লক্ষ্য করছি, জনগণের অবাধে ভোট দেওয়ার সুযোগ বন্ধ করার চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, পুলিশ অসাধারণভাবে তৎপর। এতো পুলিশ রাস্তায় টহল দিতে কখনো দেখিনি আমি। তারা সারাদেশে ধরপাকড় চালাচ্ছে। কাউকে পেলেই ধরে ফেলে৷ কেন ধরছে কিছু বলে না। পুলিশ নির্বাচনের সময় এরকম কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না৷ মূলত ভয় ভীতি দেখিয়ে সরকার চায় বিরোধীরা নির্বাচনে না আসুক। তাহলে সরকারি দল নির্বাচনে একক নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবে। একারণে পুলিশের এমন ভূমিকা। কেদ্রীয়ভাবে এটা একটি সরকারি কৌশলের অংশ৷

বিজ্ঞাপন

ড. কামাল বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আমরা দেখা করে এসেছি। তাদের নীরবতায় আমরা উদ্বিগ্ন। সিইসিকে আমরা বলেছি, তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে। তবে অন্তত আমরা দেখা করার পর তিনি আইজিপিকে একটি চিঠি দিয়েছেন। তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছি।

কূটনীতিকদের সঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে কামাল হোসেন বলেন, বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা নিজেরাও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছেন। আমরা তাদেরকে যেসব তথ্য দিয়েছি সেগুলোর সঙ্গে তাদের পর্যবেক্ষণ প্রায় সমান। তাদের রিপোর্টও একই রকম। আমরা অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন কিভাবে নিশ্চিত করা যায়, জনগণ কিভাবে তাদের মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য অবাধে ভোট দিতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করেছি। তারা ঘটনাগুলো বুঝতে পেরেছে৷ তারা এসব বিষয়ে সহানুভূতিশীল।

বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে দুপুর ২টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বৈঠক করেন ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারসহ যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, কানাডা, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইন্দোনেশিয়াসহ ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

Bellow Post-Green View