চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পুলিশী বন্দুকযুদ্ধে তিন জঙ্গি নিহত

ঢাকা ও রাজশাহীতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিনজন জেএমবি সদস্য নিহত হয়েছে।পুলিশ কর্মকর্তারা বলছে যারা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে তারা সকলেই নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবি’র সদস্য।

মঙ্গলবার ভোররাতে ঢাকার কালশীতে এবং রাজশাহীর গোদাগাড়ির ফরাদপুর চাপড়া গ্রামে এ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়। রাজধানীর পল্লবী এলাকার কালশীতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই জেএমবি সদস্য নিহত হন, ডিবি’র কর্মকর্তাদের দাবি নিহতদের একজন জেএমবি নেতা ওসমান রাজশাহীতে অধ্যাপক রেজাউল হত্যায় সরাসরি সম্পৃক্ত।

অপরদিকে রাজশাহীর বাগমারায় আহমদিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত জেএমবি সদস্য জামালউদ্দিন পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রাত সাড়ে ৩ টার দিকে গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাদপুর চাপড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জামাল উদ্দিন জেএমবি’র আত্মঘাতি টিমের সদস্য ছিলো। ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাগমারার আহমদিয়া মসজিদে জুমার নামাজের সময় আত্মঘাতি বোমা হামলায় তারেক নামের এক জঙ্গি নিহত হয়। পরে তারেকের সহযোগী জামালকে ধরিয়ে দিতে ১ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিলো রাজশাহী জেলা পুলিশ।

সোমবার দিনগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাদপুর চাপড়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ক্রসফায়ারে জামাল মারা যায়। ভোর ৫টার দিকে ময়না তদন্তের জন্য জামালের মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।

এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী জেলা পুলিশের একটি দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাবুডাইং এলাকা থেকে জামালকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, গোদাগাড়ীর ফরাদপুরে অভিযান চালানোর জন্য যাওয়ার সময় এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটে।

এর আগে বাগমারায় মসজিদে আত্মঘাতি বোমা জড়িত থাকার কথা জামাল পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। সে জানায়, আত্মঘাতী তারেক চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার রূপনগর গ্রামের আবু সালেকের ছেলে। সে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র ছিলো। রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ তারেকের মা তসলিমা বেগমকে আটক করেছে।

বিজ্ঞাপন