চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘পাশে বসা তারানা আপু ও শমীর কান্নার আওয়াজ পাচ্ছিলাম’

‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ দেখে নিজের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী

Nagod
Bkash July

শুক্রবার দেশের চারটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার উপর নির্মিত ডকু-ড্রামা ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’। মুক্তির প্রথম দিনেই রাজধানীতে হাউজফুল যাচ্ছে চলচ্চিত্রটি। বড় পর্দায় শেখ হাসিনার গল্প দেখতে উৎসুক হয়ে আছেন রাজনীতিবীদ ও আমলা থেকে শুরু করে শোবিজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলেই। সবারই যেন সমান আগ্রহ পিপলু খানের পরিচালনায় ‘হাসিনা’কে দেখতে।

Reneta June

শুক্রবার মুক্তির পর পরই বসুন্ধরার স্টার সিনেপ্লেক্সে ডকু-ড্রামাটি দেখতে গিয়েছিলেন নাট্য নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। চলচ্চিত্রটি দেখার পর নিজের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন ফেসবুকে। যা ‘তারকা কথন’-এর পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হলো:

‘‘আহ! কী দেখলাম! সারা সিনেমা হলে চোখের জল পড়েছে! কাল তানভীন সুইটি বলেছিল, কিন্ত শুটিং থাকায় যেতে পারিনি।
আজ এই দারুণ ডকু- ড্রামাটি দেখছিলাম। পাশে বসা তারানা আপু(তারানা হালিম), শমীর(শমী কায়সার) কান্নার আওয়াজ পাচ্ছিলাম। সারা হলে চুপচাপ। কেমন এক বুকের ভিতর কষ্ট। সহ্য করতেই পারছিলাম না। চোখের জল তো এখনো থামছেই না। আজ সত্যি মন খারাপের দিন।
১৯৭৫ সাল,১৫ আগস্ট। তখন আমি বেশ ছোট। মা বাবার মুখে শুনেছিলাম আর দেশের পরিস্থিতি দেখেছিলাম। ইশ! কী সেই কষ্ট! বুকভরা হাহাকার! উৎকন্ঠা! বাবার সারা রাত পায়চারি, সাদা কালো টিভি ছেড়ে বসে থাকা!
আমাদের প্রজন্ম এই ডকু-ড্রামা দেখে সত্যিকারের ইতিহাস জানবে। বুঝবে, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আর বোন শেখ রেহানার গল্প শুনে চোখ ভাসাবে। অনেক অনুভব করবে কত মিথ্যার উপর দাঁড়িয়েছিল তারা। এমন একটা কিছুর বড় প্রয়োজন ছিল। এই প্রজন্ম দেখবে,বাংলাদেশ কে চিনবে, জানবে!

আহ! আমাদের প্রাণের বাংলাদেশ।
অনেক ধন্যবাদ বন্ধু শমী কায়সারকে আমাকে আজ সিনেমা দেখতে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
ধন্যবাদ ডিরেক্টর পিপলু খান। স্যালুট টু ইউ। ধন্যবাদ ডিওপি সাদিক আহমেদ। ধন্যবাদ এডিটর নবনীতা সেন। আর মিউজিক! দেব্যজ্যাতি মিশ্র আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ। কী দারুণ মিউজিক!  সবাইকে দেখার আমন্ত্রণ রইল। ধন্যবাদ সিআরআইকে।

BSH
Bellow Post-Green View