চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে কাঁদিয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দেখা হচ্ছে তাসমান সাগরপাড়ের দুই প্রতিবেশী নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার। পাকিস্তানের হৃদয় ভেঙে আসরের দ্বিতীয় দল হিসেবে শিরোপার মঞ্চে পা রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। সেখানে আগেই পৌঁছে গেছে নিউজিল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার বাবর আজমের পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে গেছে অ্যারন ফিঞ্চের অস্ট্রেলিয়া। একই ব্যবধানে ইয়ন মরগানের ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিতে বুধবার সেরা দুইয়ে পৌঁছে যায় কেন উইলিয়ামসনের নিউজিল্যান্ড।

১৪ নভেম্বর টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আরব আমিরাত আসরের শিরোপার ফয়সালা হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় দুবাইয়ে মাঠে গড়াবে মহারণ।

দুবাইয়ে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছিল পাকিস্তান। জবাব দিতে নেমে ৫ উইকেট ও ৬ বল অক্ষত রেখে জয়ে নোঙর ফেলে অজিরা।

পাকিস্তান পৌনে দুইশর কাছে পৌঁছে যায় দুই ঝড়ো ফিফটিতে। ওপেনিংয়ে বাবর আজমের সঙ্গে ৬০ বলে ৭১ রানের জুটি গড়ার পথে ৬৭ রান আনেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৩ চারের সঙ্গে ৪ ছয়ে ৫২ বলে ৬৭ রানের ইনিংস তার।

বাবর ফেরেন ৩৪ বলে ৩৯ করে, ৫ চারে সাজানো ইনিংস। বড় সংগ্রহের বাকি কাজটা সারের ফখর জামান। ৩২ বলে ৫৫ রানের অপরাজিত ঝড়ে, যাতে ৩ চারের সঙ্গে ছক্কার মার ৪টি।

বিজ্ঞাপন

মিচেল স্টার্ক ২টি, প্যাট কামিন্স ও অ্যাডাম জাম্পা নেন একটি করে উইকেট।

লক্ষ্য তাড়ায় এসে রানের খাতা খুলতে পারেননি অধিনায়ক ফিঞ্চ। অস্ট্রেলিয়াকে সেখান থেকে পথে রাখেন ২২ বলে ২৮ করা মিচেল মার্শ ও ৩০ বলে ৪৯ আনা ডেভিড ওয়ার্নার। ৩টি করে চার-ছক্কায় দুর্দান্ত ইনিংসটি খেলে ওয়ার্নারকে থামতে হয় আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে।

শাদাবের বলে উইকেটের পেছনে রিজওয়ানের গ্লাভসে জমা পড়েন ওয়ার্নার। আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন সাজঘরে ফেরার নির্দেশনা জারি করে। পরে টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় ওয়ার্নারের ব্যাটেই লাগেনি বল। অজি ওপেনার নিজেও রিভিউ না চেয়ে হাঁটা দিয়ে ফেলেন ড্রেসিংরুমের দিকে।

ওয়ার্নারের আউটটি আফসোসের হতে পারত। স্মিথ ৫ ও ম্যাক্সওয়েল ৭ রানে দ্রুত ফিরে গেলেও আফসোসে পুড়তে দেননি মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড। দুজনে অবিচ্ছিন্ন ৮১ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের যবনিকা টেনে দেন, মাত্র ৪০ বলের ঝড়ে।

স্টয়নিস ২টি করে চার-ছয়ে ৩১ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন। ওয়েড অপরাজিত থাকেন ৪১ রানে, ২ চারে সঙ্গে বিশাল ৪ ছক্কায় ১৭ বলের তাণ্ডব চালিয়ে।

তাতে বৃথাই গেছে শাদাব খানের ৪ ওভারে ২৬ রানে ৪ উইকেট নেয়ার প্রচেষ্টা। শাহিন আফ্রিদি নিয়েছেন বাকি উইকেটটি।

বিজ্ঞাপন