চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় কারা আসছে ক্ষমতায়!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন প্রায় দরজায় কড়া নাড়ছে। আসন্ন শারদ উৎসবের পরেই ভোটের ঢাকে কাঠি পড়বে, এমনটাই সকলের অনুমান। কোবিড ১৯ জনিত পরিস্থিতিতে এই নির্বাচন ঘিরে কিছুটা সংশয় ছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, কোবিডজনিত পরিস্থিতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে পিছিয়ে দেওয়া হবে। সেই ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকারের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাবে। ফলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে, বিজেপি তাদের ঘরের লোক, রাজ্যপাল জগদীশ ধানকরের নেতৃত্বে ভোটটা করাবে। ঘরের মানুষের নেতৃত্বে ভোট করানোর সুবিধাটা আর বলে দিতে হবে না পাঠককে!

তবে কৃষিবিল সংসদে খানিকটা গায়ের জোরে পাশ করানোর পর, ফ্লোর রাজনীতিতে যে বিরোধী ঐক্য তৈরি হয়েছে, তার ছায়া যদি প্রবাহমান রাজনীতিতে পড়ে, সে ক্ষেত্রে অতোখানি ঝুঁকি কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি যে শেষপর্যন্ত নেবে, এমনটা জোর দিয়ে ভাবা নাও যেতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের ও আগে বিহারসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেখানে বিধানসভার ভোট ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। এক অভিনেতার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিজেপি যেভাবে বিহারী ভাবাবেগকে উস্কে দিচ্ছে, তাতে মনে হয়, সেই রাজ্যে, তাঁদের জোটসঙ্গী নীতীশ কুমারকে আবার ও কুর্শিতে ফিরিয়ে আনতে তাঁরা অযথা সময় নষ্ট করবে না।

বিজ্ঞাপন

তাই পশ্চিমবঙ্গেও যে নির্ধারিত সময়েই বিধানসভার ভোট হতে চলেছে, এমন একটা নিশ্চয়তার কথা এখনই বলা যেতে পারে। করোনাজনিত পরিস্থিতিকে ঢাল করে বিহারের ভোটে একরকম অবস্থান আবার তার পাশের রাজ্য. পশ্চিমবঙ্গে আর এক রকম অবস্থান নিলে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষিতে যে ঝুঁকির ভিতরে বিজেপি পড়ে যাবে, আশা করি,সেই ঝুঁকি নেওয়ার মতো অবস্থায় করোনার পর তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক সঙ্কটকালে বিজেপি নেই।

বিজ্ঞাপন

গত ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ভোটের আগে একটা বড় অংশের মানুষের ধারণা হয়েছিল, হয়তো বা তৃণমূল কংগ্রেসের আমল শেষ হতে চলেছে। বামপন্থীদের সঙ্গে সেই সময়ে কংগ্রেসের যে আসন সমঝোতা হয়েছিল, তাতে অনেকেরই ধারণা হয়েছিল, সেই জোট, যাকে অনেকটা টগর বোস্টমীর মতো ‘ জোট’ বলতে ভোটের পরে আর রাজি নন বামেরা, সেই জোট ক্ষমতায় আসছে।

২০১৬ তে যেমন অনেকেরই ধারণা হয়েছিল, রাজ্যের আগামীদিনের মুখ্যমন্ত্রী সূর্যকান্ত মিশ্র এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানস ভুঁইঞা একই জেলার মানুষ হতে চলেছেন। আবার প্রবীণ এক বাম ব্যক্তিত্ব, বামেদের ক্ষমতায় ফেরা নিয়ে নিশ্চিত থাকলেও, সূর্যবাবু যে হারছেনই, তা নিয়ে এতোটুকু সংশয়ী ছিলেন না। আবার তৎকালীন তৃণমূলী বিধায়ক, অধুনা বিজেপির এক সাংসদ, বামপন্থীদের উদ্দেশে ব্যক্তিগত স্তরে বলেছিলেন; বামেরা ফেসবুক আর টুইটার করতে থাকুন। আমরা ( তৃণমূল) ভোট করতে থাকি। রাজনৈতিক ধ্যানধারণার জন্যে সেই নেতার তেমন খ্যাতি না থাকলেও, বাস্তবতার নিরিখে তিনি যে আদৌ ভুল বলেননি, তা সেদিন ভোটের ফল বেরোবার সাথে সাথেই খুব পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল।

তারপর প্রায় পাঁচটি বছর অতিক্রান্ত। এই সময়ের ভিতরেই লোকসভার ভোট হয়েছে। স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম বিগত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি অভূতপূর্ব সাফল্য যেমন পেয়েছে, তেমনিই ভোটের নিরিখে ,আসন সংখ্যার বিচারে বামদের ভরাডুবি হয়েছে। বিজেপির এই সাফল্যের পিছনে কি মোদি ম্যাজিক কাজ করেছে? নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক ব্যর্থতা, দুর্নীতির বিষয়গুলিই বেশি সক্রিয় ছিল? মমতার দলের দুর্নীতির বিষয়ই যদি গত লোকসভার ভোটে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাফল্যের সব থেকে বড়ো কারণ হয়, তাহলে গত বিধানসভা ভোটের ঠিক মুখেই নারদা কেলেঙ্কারী কেন ভোটারদের উপরে বিশেষ দাগ কাটলো না? কেন নারদা কেলেঙ্কারির পরেও মমতা এবং তাঁর দলের প্রতি মানুষের আস্থা অটুট থাকলো? মানুষের কাছে কি দুর্নীতির বিষয়টি আদৌ আমল পাচ্ছে না? নাকি নেতা, মন্ত্রী , জনপ্রতিনিধিদের টাকা নেওয়ার ভিডিও টেলিভিশনের পর্দাতে দেখেও, তা নিয়ে মানুষের ভেতরে কোনোরকমই হেলদোল দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না?

তৃণমূল কংগ্রেস দলটির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে কান পাতা দায়। বিশেষ করে এই লকডাউনের কালেও আমফানের সময়ে, চাল আর ত্রিপল ঘিরে এই দলের লোকেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপোষণের অভিযোগ ক্রমেই বেড়েছে। তারপর কোনো ভোট হয়নি এখন পর্যন্ত। ফলে ভোটের ফলের নিরিখে দুর্নীতির প্রশ্নে মানুষ ঠিক এই মুহূর্তে কি ভাবছেন, তা বোঝার কোনো উপায় নেই। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির ভিতরেও মানুষ যেটুকু বাইরে বেরোচ্ছেন, তাতে রাজ্যের শাসকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রশ্নে তাঁদের বল্গাহীন অনাস্থা তৃণমূলের প্রতি, তেমন কোনো ইঙ্গিত কিন্তু এখনো মিলছে না।

গত দশ বছরে পশ্চিমবঙ্গে কর্মসংস্থানের ন্যুনতম নতুন কোনো পরিকাঠামো তৈরি হয়নি। অতীতের পরিকাঠামো রক্ষায় শাসকের কোনো আগ্রহ ও কারো নজরে পড়েনি। অথচ গরীব মানুষের ভিতর এই বেকারত্ব, ছাঁটাই ইত্যাদির প্রশ্নে রাজ্যের শাসকদের বিরুদ্ধে জনবিক্ষোভের ছবি তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না। গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোর ভেঙে পড়ার অনেক ছবি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সেই ছবিকে কেন্দ্র করে শাসকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ্যে সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। বাম আমলের শেষ দুই তিন বছরে তৎকালীন শাসকদের বিরুদ্ধে একটা বড়ো অংশের সাধারণ মানুষ, কোনোরকম ভয়ডর না করে, যেভাবে প্রকাশ্যে সোচ্চার হয়েছিলেন, তার বিন্দুমাত্র পুনরাবৃত্তির উপক্রম দেখা যাচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

দুর্নীতির প্রশ্ন ঘিরে কি শাসকের প্রতি গরীব মানুষের ভাবনা চিন্তা আর আগের মতো নেই? মানুষ কি দুর্নীতির বিষয়টিকে আর কোনো বড় রকমের সামাজিক সমস্যা বলে মনে করেন না? নাকি মমতার দলের মানুষ কোনো দুর্নীতি করতে পারেন না, এমনটাই মানুষের বিশ্বাসে দাঁড়িয়ে গেছে? এমন ভাবনাও তীব্র হচ্ছে যে, বাম সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতিই হোক, শিল্পায়ন ঘিরে বাড়াবাড়িই হোক, এই অভিযোগগুলি ঘিরে সেই সময়ের বিরোধী নেত্রী হিসেবে মমতা যে সাড়া তুলতে পেরেছিলেন, সেটা কি বাম, কি কংগ্রেস, কি বিজেপি-কোনো রাজনৈতিক দলই কেন পারছে না? নাকি দীর্ঘদিন একটা রীতির শাসনধারা ঘিরে মানুষের মনে অতীতে যেভাবে ক্ষোভ দানা বাঁধতে পেরেছিল, মাত্র দশ বছরের শাসনে, মমতা মানুষকে ততোটা ক্ষুব্ধ করতে এখনও পারেননি?

বাম শাসনকালে শাসক বিরোধিতা করলে যে পরিমাণ আক্কেলসেলামী দিতে হতো, তার শতগুণ পরিমাণ বৃদ্ধি ঘটেছে মমতার আমলে। বাম আমলে হেনস্থা হলে, সেই হেনস্থা ঘিরে বাম নেতৃত্বের উচ্চ মহলে অভিযোগ জানানোর একটা জায়গা ছিল। মমতার আমলের একদম শুরুতেই এপ্রিল ফুলে শাসক দলের প্রথম সারির কাউকে নিয়ে মজা করা হতো, তাহলে মজাকারীকে চোখের জলে নাকের জলে করে দেওয়া হতো। দশ বছরে এই প্রবণতা তাই কোথায় পৌঁছতে পারে, সহজেই অনুমান করতে পারা যায়। অম্বিকেশ মহাপাত্রের মতো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সম্মানিত শিক্ষক একটি কার্টুন ফেসবুকে শেয়ার করেছিলেন বলে কতোখানি মাশুল তাঁকে দিতে হয়েছিল, সেই স্মৃতি এখনো মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি। অথচ এইসব স্মৃতি ঘিরে মানুষকে কোনো রকম প্রতিক্রিয়া জানাতে কিন্তু জোরদারভাবে কখনো দেখা যায়নি।

মানুষ প্রতিবাদী হলে বাম আমলে তাঁর ভিটে মাটি কাড়ার প্রবণতা যদি পাঁচ শতাংশ থাকতো, আজ তা হয়েছে পঞ্চাশ শতাংশেরও বেশি। বাম আমলের শেষ দিকে নিজেদের দলের বিপক্ষ গোষ্ঠীকে ভাতে মারার জন্যে, যেখানে যে সরকারি গোষ্ঠী ছিল, তার চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল না। সেই প্রবণতা থেকে ক্ষমতার বাইরে দশ বছর থাকা বামেদের তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। সেই প্রবণতা তৃণমূলের ভিতরে ভরপুর থাকা স্বত্ত্বেও মানুষের মনে ওই হালচাল ঘিরে তেমন কোনো হেলদোল নেই। বামেদের একটা বড় অংশের ভূমিস্তরের নেতারা ব্যক্তিগত স্তরে বলেন; তৃণমূল বা বিজেপির থেকে আমরা নিজেরাই নিজেদের বড় শত্রু। তাই বামেদের ভিতরে গোপন অন্তর্ঘাতে আজ ও তৃণমূল বা বিজেপি যে রাজনৈতিক ডিবিডেন্ট পেয়ে চলেছে, তেমন সুদ কিন্তু বামেরা তৃণমূল বা বিজেপি ঘিরে আদৌ ঘরে তুলতে পারছে না।

গত লোকসভা ভোটে বিজেপির বাক্সে যে বাড়তি ভোট এসেছিল, তার একটা বড়ো অংশই বামেদের দিক থেকে এসেছিল বলে একটা ধারণা খুব তীব্র হয়েছে। কোচবিহার, পুরুলিয়া, নদিয়া ইত্যাদি জেলাগুলিতে তৃণমূলের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির সঙ্গে অলিখিত বোঝাপড়া লোকসভার আগে, পঞ্চায়েত ভোটেই ভূমিস্তরে বামেরা করেছিল, এই অভিযোগ আছে। এমন কথাও শোনা যায় যে, শীর্ষস্তরের এক বাম নেতা সহযোদ্ধাদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ডেপুটেশন দিতে গেলে নাকি মমতা সেই প্রবীণ বাম নেতাকে বলেছিলেন; আমাকে আপনারা সমর্থন করবেন না জানি। কিন্তু বাম ভোট কেন বিজেপিতে চলে যাচ্ছে? সেই বামনেতা নাকি ঘনিষ্ঠ মহলে মমতার অভিযোগকে মান্যতা দিয়েই বলেছিলেন; এমন কথাও আমাকে শুনতে হল!

বিজেপি বিরোধিতার প্রশ্নে মতাদর্শগত লড়াইতে বামেরা আদৌ আন্তরিক ছিলেন কি না, এই প্রশ্ন তীব্র হয়ে উঠছে। সাড়ে ছয় বছর বিজেপির সঙ্গে বাজপেয়ীর আমলে কেন্দ্রীয় সরকারের শরিক ছিলেন মমতা। তারপরে ও গুজরাট গণহত্যার নায়কদের সঙ্গে ঘর করা মমতার মুসলমান সমাজের একটা বড়ো অংশের ভিতরে এখনো ব্যাপক জনপ্রিয়তা। অপরপক্ষে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকাকালীন মুসলমানদের জন্যে দীর্ঘমেয়াদি অনেক কিছু ইতিবাচক কাজ করা স্বত্ত্বেও তাঁদের ভিতরে বামেদের গ্রহণযোগ্যতার পারদ ক্রমশ নিম্নমুখী।

এর কারণ কি কেবলই প্রচার মাধ্যমের বিরামহীন অপপ্রচার? মমতা তো কিছু পাইয়ে দেওয়ার ব্যাপার ছাড়া, প্রকৃত উন্নতির তাগিদে মুসলমানদের জন্যে প্রায় কিছুই করেননি। তবু কেন অভিনয়পটু মমতার জনপ্রিয়তা মুসলমান সমাজে কার্যত অটুট আছে? অতীতে যা কখনও স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গে ঘটেনি তাই-ই এখন ঘটছে। সল্ট লেকের এক অতিথিশালাতে মাদ্রাসা শিক্ষকদের ‘ মুসলমান’ পরিচয়ের কারণে থাকতে দেওয়া হয়নি। কেন মমতার শাসনে মুসলমান সমাজের উপর এহেন নোংরা মানসিক নির্যাতন, সেই প্রশ্ন তো মুসলমান সমাজের ভিতর থেকে উঠছে না। যে ত্বহা সিদ্দিকিকে ধর্মীয় পরিমন্ডলের বাইরে প্রথম নিয়ে এসেছিলেন সি পি আই( এম)নেতা গৌতম দেব, সেই ত্বহা পরে হয়ে যান তৃণমূল ঘনিষ্ঠ।মুসলমান সমাজের কথা বলে, নিজেকে ভি ভি আই পি করে তোলা সেই মানুষটি কেন সাত ঘাটের জল খেয়ে, ভোটের আগে আবার তৃণমূল মুখী-সেই প্রশ্ন তো কখনও ওঠে না।

এইরকম অবস্থাতে আসন্ন ভোটে মানুষের রায় কোন পক্ষে যায়, সেটাই এখন সবথেকে বড় দেখার বিষয়। সাম্প্রদায়িক মেরুকরণে কি পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আগের থেকে অনেক বেশি আকৃষ্ট হবেন? করোনার ভয়াবহকতা কালে লকডাউনের সময়ে সাধারণ মধ্যবিত্ত হিন্দু বাঙালির একটা বড় অংশ মেরুকরণের দ্বারা বিভাজিত-এটা আমরা লক্ষ্য করেছি। বামপন্থীদের হয়ে গত বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন, এমন মানুষকে বলতে শুনেছি; হিন্দু শেষকৃত্যে মাত্র পাঁচ জনকে যেতে দেওয়া হচ্ছে, আর মুসলমানেরা কবর দিতে এলে লরি লরি লোক আসছে-এমন ভয়ঙ্কর সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা। এই সাম্প্রদায়িক মানসিকতা আগামী বিধানসভা ভোট পর্যন্ত যদি হিন্দু বাঙালি মধ্যবিত্তের ভিতরে সম্পূর্ণ বজায় থাকে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গবাসীর কপালে ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক শাসক জুটে যাওয়ার ভাবনাটাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)