চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পর্যটনে বরাদ্দ নির্দিষ্ট না করায় ক্ষুব্ধ উদ্যোক্তারা

সরকারি পর্যায়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

আগামী অর্থবছরের (২০১৯-২০২০) প্রস্তাবিত বাজেটে পর্যটন নিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল পরিবেশবান্ধব সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প শিরোনামে বলেন বাংলাদেশে আছে বিশ্বের বৃহত্তম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকত (Unbroken Sandy Sea Beach) কক্সবাজারসহ আরো অনেক অনেক পর্যটন স্পট, যা এখনো বিশ্ববাসীর নিকট পরিচিত করে তোলা সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজারের সাবরাং-এ বিদেশি পর্যটকদের জন্য একটি এক্সক্লুসিভ পর্যটন এলাকা (Exclusive Tourist Zone) স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পটকে দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।

বিজ্ঞাপন

২০১৯-২০ অর্থবছরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা।

এ প্রসঙ্গে পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ জামান খান কবির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এর বেশিরভাগ অর্থ ব্যয় করা হবে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ, সংস্কার ও সম্প্রসারণের কাজে। পর্যটন পন্যের উন্নয়ন ও প্রচারে কোন অর্থ থাকে না। বাজেটের সবকিছুই থাকে সিভিল এভিয়েশনকে কেন্দ্র করে।

দীর্ঘদিন ধরে বলে আসলেও পর্যটনের জন্য সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ দেখতে পাননি তিনি।

বিজ্ঞাপন

অবশ্য বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী ডক্টর ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন তিনি কত বরাদ্দ চেয়েছেন তা এই মুহূর্তে বলতে পারছেন না। তবে বিমানের জন্য বরাদ্দ হলেও তা পর্যটনের জন্যও বলে মনে করেন বোর্ডের সিইও।

আর বিদেশী পর্যটকদের আকৃষ্ট করা নিয়ে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকে সমর্তন করে ডক্টর ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন এ নিয়ে কাজ করছেন তারা।

বেসরকারী পর্যটন উদ্যোক্তা ও বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডেও সদস্য জামিল আহমেদ বলেন যে বরাদ্দ উল্লেখ করা হয়েছে তাতে পর্যটনের জন্য কত এবং এর কোন কোন খাতে কত টাকা দেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করা নেই।

এমনকি কখনোই এ সম্পর্কে মন্ত্রণালয় থেকে কোন তথ্য পান না বলেও চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পর্যটনের উন্নয়নে অবশ্যই পরিস্কার হওয়া উচিত। বিদেশীদের জন্য বিশেষ জোন করাকে স্বাগত জানান বেসরকারী পর্যটন সংস্থা টোয়াবের পরিচালক ও উদ্যোক্তা তৌফিক রহমান।

তিনি বলেন আদও এই এর প্রয়োজন অনুভব করছেন কিনা তা নিয়ে কিছুটা সন্দেহ প্রকাশ করেন। পর্যটনের খাত উল্লেখ করা উচিত ছিল বলে মনে করেন টোয়াবের এই পরিচালক। বলেন প্রস্তাবিত বাজেটের ৯৫ শতাংশেরও বেশি খরচ হবে বিমানের পেছনে। আরও বাকি ৫ শতাংশ দিয়ে কি হবে এমন প্রশ্ন ছিল তার।

এদিকে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে বাজেট বরাদ্দ ছিল ১৫০৮ কোটি টাকা, পরে ২০১৮-২০১৯ সংশোধিত বাজেটে আরও দেওয়া হয় ১০৭১ কোটি টাকা।

Bellow Post-Green View