চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পর্যটনকেন্দ্রগুলো পুনরায় চালুর দাবি ট্যুর অপারেটদের, প্রয়োজনে বিক্ষোভ

দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলো দ্রুত পুনরায় চালু করতে হবে নয়তো প্রয়োজনে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে ট্যুর অপারেটররা।

মঙ্গলবার ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন টোয়াব জানিয়েছে, অন্যান্য ব্যবসায়ের মতো পর্যটনকেন্দ্রগুলো পুনরায় চালু করার দাবি যদি তাৎক্ষণিকভাবে মেনে না নেওয়া হয়, তবে তারা রাস্তায় বিক্ষোভ করতে বাধ্য হবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

পর্যটন খাতে করোনাভাইরাসের প্রভাব এবং এ থেকে দ্রুত পুনুরুদ্ধারের ব্যবস্থা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে টোয়াবের সভাপতি মোঃ রাফেয়ুজ্জামান এ কথা বলেন।

টোয়াব সভাপতি বলেছেন, পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকার লোকসান অনুমান করছেন, যার মধ্যে টোয়াব সদস্যরা চলমান মহামারীতে প্রায় ৫,৭০০ কোটি টাকার ব্যবসায় হারিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

‘সার্বিক কার্যক্রমের ওপর সরকারের নিষেধাজ্ঞা আরোপ হওয়ার পরে আমাদের ব্যবসা ৫ এপ্রিল থেকে বন্ধ রয়েছে। আমরা এখন সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, অন্যান্য ব্যবসায়ের অনুমতি দেওয়ার সাথে সাথে সমস্ত পর্যটন কেন্দ্র পুনরায় চালু হোক।

তিনি বলেন, টোয়াব সমস্ত পর্যটন কেন্দ্র খোলার জন্য সরকারের চারটি পর্যটন-সংক্রান্ত সংস্থাকে একাধিক চিঠি দিয়েছে, তবে তারা এখনও কোনো সাড়া দেয়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে রাফেযুজ্জামান বলেন, দাবি মানা না হলে মানববন্ধন পরবর্তী রাস্তায় বিক্ষোভ সমাবেশ করতে বাধ্য হবে ট্যুর অপারেটররা। দীর্ঘদিন ব্যবসা বন্ধ থাকার কারণে কর্তৃপক্ষকে ট্যুর অপারেটরদের বিনামূল্যে ঋণ প্রদান করার দাবিও জানান তারা। সেই সাথে ট্রেড লাইসেন্স ফি মওকুফ করা উচিত বলে জানান তিনি। যাতে তারা তাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, পর্যটকদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কীভাবে পর্যটনকেন্দ্রগুলো উন্মুক্ত রাখা যা,য় সে সংক্রান্ত কোন গাইডলাইন যদি টোয়াব ঠিক করে এফবিসিসিআই অবশ্যই তা সরকারের কাছে উত্থাপন করবে।

তিনি নেতৃবৃন্দকে রাস্তায় বিক্ষোভ সমাবেশ করার আগে তাদের দাবি-দাওয়ার বিষয়ে নিজস্ব সংস্থা বা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারকে জানানোর আহ্বান জানান।